‘সংসদের চেয়ারে প্রত্যেক এমপির হাত কেটে যাচ্ছে’
জাতীয় সংসদের চেয়ারগুলোর বেহাল অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন। তিনি অভিযোগ করেন, “সংসদ কক্ষের অনেক চেয়ারের পিন ও ধাতব অংশ বের হয়ে থাকায় সংসদ সদস্যদের হাত কেটে যাচ্ছে। একই সঙ্গে চেয়ারগুলোর নকশাগত ত্রুটির কারণে অনেক সদস্য কোমর ও পিঠের ব্যথায় ভুগছেন।”
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জয়নাল আবেদিন বলেন, “সংসদে ৩০০ এর বেশি চেয়ার রয়েছে। চেয়ারগুলোর পেছনে প্রায় তিন ইঞ্চি ফাঁকা জায়গা থাকায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়ে।”
তিনি বলেন, “আমরা যারা দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছি, আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতনের শিকার হয়েছি, তাদের অনেকেরই কোমর, পিঠ ও হাতে নানা সমস্যা রয়েছে। এমনকি অনেক তরুণ সংসদ সদস্যও এসব চেয়ারে স্বাচ্ছন্দ্যে বসতে পারেন না।”
তিনি আরো বলেন, “অতীতে চেয়ারগুলো এমনভাবে ভারী করে তৈরি করা হয়েছিল যাতে কেউ সেগুলো তুলে নিক্ষেপ করতে না পারে। কিন্তু বর্তমানে চেয়ারের বিভিন্ন অংশে বের হয়ে থাকা পিনের কারণে সংসদ সদস্যদের হাত কেটে যাচ্ছে।”
বিষয়টি দ্রুত সমাধানে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
একই বক্তব্যে তিনি সংসদে সদস্যদের ‘মাথা নোয়ানো’ সংক্রান্ত একটি বিষয়েও স্পিকারের সিদ্ধান্ত কামনা করেন। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিভিন্ন মামলার কারণে প্রায় ৮৩ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে। এতে দেশের বহু বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।”
জবাবে স্পিকার বলেন, “বাজেট অধিবেশনে সাধারণত পয়েন্ট অব অর্ডার গ্রহণ করা হয় না।” তবে সংসদ সদস্যদের কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার জন্য তিনি বক্তব্যের সুযোগ দিয়েছেন। ‘মাথা নোয়ানো’ প্রসঙ্গে রুলস অব প্রসিডিউর পর্যালোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও তিনি জানান।
শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিশ এলে তা বিবেচনা করা হবে বলে উল্লেখ করেন স্পিকার।
ঢাকা/এএএম/এসবি
প্রথম টি–টুয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪ উইকেটে হারল বাংলাদেশ