তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে: মাসুদ
পটুয়াখালী-২ আসনের এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের প্রভাব এবার জাতীয় সংসদেও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে সংসদ সদস্যদের (এমপি) পর্যন্ত বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, “তার এলাকায় ডিলাররা পরিকল্পিতভাবে পাম্প বন্ধ রেখে বাড়িতে তেল বিক্রি করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ যেমন ভোগান্তিতে পড়ছেন, তেমনি জনপ্রতিনিধিরাও জ্বালানি সংগ্রহে সমস্যায় পড়ছেন।”
তিনি অভিযোগ করেন, “বাউফলে পেট্রোল পাম্প না থাকায় ডিলারদের ওপর নির্ভরশীলতা বেশি। কিন্তু তারা দোকান বন্ধ রেখে গোপনে তেল বিক্রি করছেন। ম্যাজিস্ট্রেট গেলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।”
এ বিষয়ে জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “সরকার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী প্রতিদিন জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে কোনো ডিলার ইচ্ছাকৃতভাবে সরবরাহ ব্যাহত করলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ব্যবস্থা নেওয়া নেন।”
মন্ত্রী বলেন, “ডিলাররা লুকিয়ে থাকলে পুলিশ ডেকে এনে তাদের মাধ্যমে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।”
বর্তমান পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। তবে সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।”
তিনি আরো সতর্ক করে বলেন, “প্যানিক বায়িং শুরু হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।”
তাই প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল না কিনতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
রাত ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশনার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, “জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”
ঢাকা/এএএম/এসবি
আদানির সঙ্গে চুক্তি সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনাধীন: জ্বালানিমন্ত্রী