ঢাকা     সোমবার   ০২ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৭ ১৪৩২ || ১২ রমজান ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

‘আমরা ক্রিকেটাররা হাসার থেকে বেশি কাঁদি’

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২১, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩   আপডেট: ১৫:৩৮, ২০ ডিসেম্বর ২০২৩
‘আমরা ক্রিকেটাররা হাসার থেকে বেশি কাঁদি’

ঘরোয়া ক্রিকেট, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট যেখানেই সৌম্য সরকার নেমেছেন, ভাগ্যদেবী যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তবে হতাশ হননি এই প্রতিভাবান ক্রিকেটার। নিজের কাজ করেছেন মনোযোগ দিয়ে, প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন নিয়ম মেনে। অবশেষে বেদনাবিধুর দিন ঠেলে সৌম্য পেয়েছেন সুসময়ের দেখা।

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে তাদেরই মাটিতে হাঁকিয়েছেন সেঞ্চুরি। শুধু তাই নয় তার ১৬৯ রানের ইনিংস কিউইদের মাটিতে এশিয়ার যে কোনো ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ। সৌম্য ফর্মে ফেরার টনিক পেয়ে গেছেন। এখন কাজ এটি ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া এই সময়টা কিভাবে পার করেছেন সৌম্য?

আরো পড়ুন:

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর গণমাধ্যমের সামনে এলে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন এই অলরাউন্ডার। সৌম্যর উত্তর, ‘আমিতো খেলোয়াড়, আমাকে খেলতেই হবে। ভালো খেললে হয়তোবা ভালো নিয়ে লিখবেন, খারাপ করলে খারাপ নিয়ে লিখবেন। এটা আপনাদের কাজ, আমার কাজ খেলা। ওগুলো নিয়ে ওইরকমভাবে ভাবা হয়নি। ভাবলে হয়তোবা নিজের উপরই চাপ আসতো।’

সৌম্য একপ্রকার দূরেই থেকেছেন সংবাদমাধ্যম থেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হলেও এড়িয়ে গেছেন সংবাদমাধ্যম। কেউ ক্রিকেট নিয়ে কথা বললে, তার সঙ্গেই কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। 

এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা সময় হয়তোবা দেখতাম। এখন সত্য কথা বলতে গত প্রায় এক বছর আমার ফোনে কোন নিউজ আসে না। আমার কোন বন্ধু ক্রিকেট নিয়ে কথা বললে আমি তার সঙ্গে থাকি না। যে পজেটিভ কথা বলে আমি তার সঙ্গে থাকি। ভালো-খারাপ থাকবে কিন্তু খারাপ করলে তো ক্রিকেট ছেড়ে চলে যেতে পারব না যেহেতু ক্রিকেট খেলোয়াড়। ক্রিকেটের জন্যই এতদূর আসা। ক্রিকেটের জন্য পরিশ্রম করছি। ক্রিকেট নিয়েই চিন্তা করছি।’ 

পেশাদার ক্রিকেটে উত্থান-পতন থাকবে। সৌম্যও সেটা মেনে নিয়েছেন, ‘উঠা-নামা কী ভাই…. ক্রিকেট খেলোয়াড় প্রত্যেক দিন ভালো খেলবে না। আপনি যেমন একটা মানুষ প্রত্যেকদিন ভালো খাবার প্রত্যাশা করেন না। আমরাও খেলোয়াড়রা প্রত্যেক দিন ভালো প্রত্যাশা করি না। আমরা ক্রিকেটাররা হাসার থেকে বেশি কাঁদি।’ 

এমন প্রত্যাবর্তনে সৌম্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন তার পরিবারকে, স্ত্রীকে, সতীর্থদের এবং প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে। ‘প্রথমত ধন্যবাদ দেবো আমার পরিবারকে। আমার স্ত্রীকে। সে সব সময় সমর্থন যুগিয়েছে। সতীর্থরা তো আছেই। হাথুরুসিংহে আসার পর তার সঙ্গে যতটুকু ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছি সে অনেক সমর্থন যোগাচ্ছে।’

ঢাকা/রিয়াদ/বিজয়

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়