সিলেট নাকি রাজশাহী, ফাইনালে কাকে চায় চট্টগ্রাম?
বিপিএলের প্রথম দল হিসেবে সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। গতকাল টুর্নামেন্টের শীর্ষ দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে উড়িয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম।
তাদের প্রতিপক্ষ কে? নিশ্চিত হয়নি এখনো। আজ বুধবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মুখোমুখি হবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটান্স। দুই দলের লড়াইয়ে যারা জিতবে তারা আগামী শুক্রবার ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে চট্টগ্রামের বিপক্ষে।
আগেভাগে ফাইনাল নিশ্চিত করা চট্টগ্রাম ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাকে চায়? দুই দলের বিপক্ষে তাদের খেলা হয়েছে। জয় পাওয়া হয়েছে। আবার হারের তীব্র যন্ত্রণাও পেয়েছে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে চট্টগ্রামের পছন্দ কোন প্রতিপক্ষ? অধিনায়ক শেখ মাহেদীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল ফাইনাল নিশ্চিতের পর।
দলকে ফাইনালে তোলার নায়ক হয়েছেন মাহেদী। বল হাতে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাটিংয়ে ৯ বলে ১৯ রান করেছেন। ২টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন ম্যাচের কঠিন মুহূর্তে। তার দু্যতি ছড়ানো পারফরম্যান্সে রাজশাহীর হৃদয় ভেঙেছে।
ফাইনালের প্রসঙ্গ উঠতে মাহেদী সরাসরি কোনো দলের কথা বলেননি। প্রতিপক্ষ হিসেবে রাজশাহী ও সিলেটকে দারুণ সমীহ করেছেন তিনি। প্রতিপক্ষ কে হবে সেটা নিয়ে না ভেবে নিজেদের কাজটায় মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেন তিনি।
‘‘এইটা (প্রতিপক্ষ) কে আসবে না আসবে আসলে এটা বলা মুশকিল। ক্রিকেট খেলা। যে কোনো সময় যে কোনো কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু যারা ভালো ক্রিকেট খেলবে, আগামীকাল (আজ) তারাই আসুক।’’
‘‘আমার মনে হয় রাজশাহী এবং সিলেট দুইটাই দুর্দান্ত টিম। রাজশাহী পুরো বিপিএলে ভালো ক্রিকেট খেলে এসেছে। সিলেট এখন খুব শক্তিশালী দল হয়ে গেছে। রংপুরের মতো দলকে হারিয়ে দিয়েছে। খুব একটা প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক ক্রিকেট হবে। যেই হোক, প্রতিপক্ষ হিসেবে আমাদেরও সেইভাবে তৈরি থাকতে হবে।’’ – বলেছেন মাহেদী।
বড় পর্যায়ে মাহেদী এবারই প্রথম অধিনায়কত্ব পেয়েছেন। প্রথম সুযোগেই বাজিমাত করেছেন। দলকে তুলেছেন ফাইনালে। আরেকটি ভালো পারফরম্যান্স তার মাথায় এনে দিতে পারে সাফল্যের মুকুট। অধিনায়কত্ব কেমন উপভোগ করলেন মাহেদী। জানতে চাইলে বিস্তারিত উত্তর দেন তিনি,
‘‘আমি হয়তো বা কোনো ভালো ক্রিকেটে কখনো অধিনায়কত্ব করি নাই। কিন্তু আমার একটা সুযোগ ছিল। বিগত বছরগুলোতে যে অভিজ্ঞতাগুলো হয়েছে, এটা আমি চেষ্টা করছি আমার মেধা থেকে করার জন্য। আমি জানি না কতটুকু আমি পূর্ণ করতে পারছি। ’’
‘‘জাতীয় দলে পণ্ডপান্ডব ছিল, আমি সবার অধীনে খেলেছি। সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু নেওয়ার চেষ্টা করেছি। হয়তো বা তখন আমি অধিনায়কত্ব করিনাই। কিন্তু ওই কিছু জিনিস আমার ভিতরে আমি আনার চেষ্টা করছি। এখন লিটনের অধিনায়কত্ব অসাধারণ। লিটনের কাছ থেকে অনেক কিছু আমি শিখি। সবার থেকেই কিছু না কিছু শিখে সেইসব অভিজ্ঞতা মাঠে বাস্তবায়ন করতে পারছি।’’- যোগ করেন তিনি।
ঢাকা/ইয়াসিন