ঢাকা     শুক্রবার   ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ১১ ১৪৩৩ || ৬ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

অনুপ্রেরণার সঙ্গে আক্ষেপ

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৩৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৬   আপডেট: ১৬:৫৬, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
অনুপ্রেরণার সঙ্গে আক্ষেপ

‘‘একটু সতর্ক থাকলে আরো ২ পয়েন্ট পেয়ে যেতাম। একটু আক্ষেপ তো আছেই। তারপরও ভালো। পিছিয়ে থেকে ২-১ ব‌্যবধানে সিরিজ জয় অনুপ্রেরণার’’ - প্রথমবার নির্বাচক হওয়ার পর অম্লমধুর স্বাদ পাওয়া একজন বলছিলেন।

অভিষেকটা ভালো না হলেও পরের দুই ম‌্যাচ দাপুটের সঙ্গে জিতে যাওয়ায় খুশি। তাতে নির্ভার হওয়া গেছে অনেকটাই। তবে সামনের চ্যালেঞ্জটা যে আরও বড় তা খুব ভালো করেই জানেন চার সদস‌্যের নির্বাচক প‌্যানেল। সেই প্রস্তুতিতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে এই অর্জন। 

আরো পড়ুন:

বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেতে বাংলাদেশকে সামনের ওয়ানডে সিরিজগুলোতেও ভালো করতে হবে। বাংলাদেশের পরবর্তী দুইটি সিরিজ ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে। সেপ্টেম্বরে আসবে অস্ট্রেলিয়া। ভারত আগস্টে। বড় দুইটি দলের বিপক্ষে সিরিজ খেলার সুবিধা হলো, জিতলে অনেক পয়েন্ট পাওয়া যাবে। হারলে তেমন কমবে না। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ তিন ম‌্যাচের সিরিজ ৩-০ ব‌্যবধানে জিতলে ৬ পয়েন্ট পেত। ২-১ ব‌্যবধানে জেতায় ৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট এখন ৮৩। র‌্যাংকিং নয় নম্বরে।

২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দলের মধ্যে থাকতে হবে। ১৪ দলের এই আসরে বাকি দলগুলোকে খেলতে হবে বাছাইপর্ব। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়াও র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে। অর্থাৎ, স্বাগতিকরা যদি সেরা আটের মধ্যে থাকে, তাহলে র‌্যাংকিংয়ের ১০ নম্বর পর্যন্ত দলও সরাসরি সুযোগ পেতে পারে। 

অতি নাটকীয় কিছু না ঘটলে আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ৮ নম্বরের নিচে নামার ও জিম্বাবুয়ের ৮ নম্বরের ওপরে ওঠার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ ৯ নম্বর জায়গা ধরে রাখলেও সরাসরি বিশ্বকাপে খেলতে পারবে।

সরাসরি বিশ্বকাপ খেলা বাংলাদেশের মূল চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালেঞ্জে যেনতেন ভাবে না গিয়ে আরও ওপরে থেকে নিশ্চিত করতে চান অধিনায়ক মিরাজ, ‘‘শীর্ষ ৯ নম্বরের ভেতরে থাকাটা… আমরা যদি ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে পারি, আমার মনে হয় ৯ নম্বর নয়, আমরা আরও অনেক ওপরে যেতে পারি। কাজেই সেটা আমাদের দলের জন্য বিরাট একটা সুবিধা থাকবে।”

পাকিস্তানের বিপক্ষে যেই দলটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল সেই দলের থেকে কোন পরিবর্তন না এনেই নির্বাচকরা দল সাজিয়েছিলেন৷ পরে সেখানে শুধু যুক্ত করা হয় পেসার তানজিম হোসেন সাকিবকে। সিরিজ শেষে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের কাটা ছেঁড়া করার রীতি আছে। তবে সেই কাজটা আপাতত করতে চাইছেন না। সামনে টি-টোয়েন্টি সিরিজ আছে। সেখানে প্রত্যাশিত সাফল্যের খোঁজে নির্বাচকরা।

‘‘বিশ্বকাপ আমরা খেলতে পারিনি। সেটা নিয়ে খেলোয়ারদের মধ্যে হতাশা দেখেছি। ওইটা অপূরণীয়৷ এখন টি-টোয়েন্টিতে আবার মাঠে নামছে দল। দলটাকে আমরা ওদের মত করেই মাঠে পারফর্ম করুক সেভাবেই দেখতে চাই। ওয়ানডে সিরিজের মূল্যায়ন অবশ্যই আমরা করব। আপাতত মনোযোগ আমাদের টি-টোয়েন্টিতেই।’’

মিরাজের নেতৃত্বে টানা তিন সিরিজ জয়কে নির্বাচকরা বড় করেই দেখছেন। এই ধারাবাহিকতা দলকে সাফল্যের ভেলায় এগিয়ে নেবে এমন বিশ্বাসটাই করেন তারা।

ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়