লিটনের চোখে সাকলাইন ‘আই ক্যাচিং’
‘‘আমরা টি-টোয়েন্টিতে কিছু নতুন মুখ দেখতে চেয়েছি।’’ - নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণার পর বলেছিলেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তার চাওয়াতে প্রথমবার জাতীয় দলে যুক্ত হনে আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রচলিত পর্যায়গুলো না খেলে কেবল ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ের ক্রিকেট খেলে বিসিবির লাইমলাইটে আসেন সাকলাইন। এছাড়া টেপ টেনিসের জগতে বেশ পরিচিত একটি নাম সাকলাইন।
বিসিবির অধীনে প্রথম আসেন বাংলা টাইগার্স স্কোয়াডে। এরপর এশিয়ান গেমসে নজর কাড়েন। বিপিএলে ভালো করে এখন তিনি জাতীয় দলে। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস তাকে বিপিএলেই প্রথম দেখেছেন। এরপর জাতীয় দলের অনুশীলনে।
তাকে দেখে ‘আই ক্যাচিং’ লেগেছে অধিনায়কের। দ্রুতগতির বোলিংয়ে তার বড় সামর্থ্য বৈচিত্র্য। স্লোয়ার ও ইয়র্কার দিতে পারেন সিদ্ধহস্তে। এছাড়া লেট অর্ডারে বড় শট খেলতে পারেন অনায়েসে।
তাইতো তাকে পেস অলরাউন্ডার হিসেবেই বিবেচনা করছেন লিটন, ‘‘সাকলাইন আমার চোখে অলরাউন্ডারের ক্যাটাগরিতে। ও বিপিএল লিগে খুবই ভালো খেলেছে রাজশাহীর হয়ে। যেখান থেকেই কিন্তু এই... ‘আই ক্যাচিং’ বলে একটা ব্যাপার আছে না, সেখান থেকেই। কাজেই চেষ্টা করব এখানে গ্রুমিং করে করে দলের সঙ্গে রেখে রেখে যেন একটা সময়ে গিয়ে তাকে আমরা খেলাতে পারি এবং খেলায় যেন সে আমাদেরকে ফিডব্যাক দিতে পারে।”
সিরিজ শুরুতে হয়তো সাকলাইন খেলার সুযোগ পাবেন না। তবে তাকে পরখ করবে টিম ম্যানেজমেন্ট। তার সঙ্গে আছেন রিপন মণ্ডলও। দুজনকে দেখতে টিম ম্যানেজমেন্ট বিশ্রাম দিয়েছে মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদকে। তরুণদের বাজিয়ে দেখার কথা বললেও লিটন পরীক্ষিত অভিজ্ঞদের আড়াল করছেন না কিছুতেই। বরং সবাইকে নিয়ে শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ তৈরি করার পক্ষে বাংলাদেশের অধিনায়ক, “আমার সবগুলা বোলারই খুবই ভালো। যদি দেখেন মোস্তাফিজ তো মোস্তাফিজই, তার জায়গা পূরণ করাটা খুবই কঠিন। কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে, যেদিন মোস্তাফিজ খেলবে না, কোন কারণে ইনজুরড হয়ে গেলে কোনো না কোনো ক্রিকেটারকে তো খেলতে হবে। ওই চেষ্টাটা করেই আমরা কিন্তু এই দলটা তৈরি করার চেষ্টা করছি।”
লিটনের বিশ্বাস, ‘‘এই ছেলেরা যত গেম টাইম পাবে, তারাও একটা সময়ে উন্নতি করে মোস্তাফিজের মত না হলেও হয়তো কাছাকাছি যেতে পারবে।’’
ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল