শামীমের ‘নো লুক’ শট ও ‘৩৬০ ডিগ্রি’র তকমা পাওয়ার গল্প
নিউ জিল্যান্ডের ড্যান ক্লেভারের শামীম হোসেনকে চেনার কথা না। নাহ! এতোক্ষণে চিনে গেছেন নিশ্চয়ই। ওমন ব্যাটিংয়ে শামীমকে না চেনার উপায় আছে!
নিউ জিল্যান্ডের জন্য শামীম ছিলেন সারপ্রাইজ প্যাকেজ। আর তার নো লুক ছক্কা তো ‘লা-জাবাব’। নাথান স্মিথের বাউন্সার যেকোনো ব্যাটসম্যানই ছেড়ে দিয়ে ওয়াইড আদায় করতে চাইতেন। কিন্তু শামীম একটু নুইয়ে স্কুপ করলেন। পেছনে তাক করা শট। বলের গতির সঙ্গে শটের জোর। দুইয়ে মিলিয়ে বল গেল উইকেট সোজা দিয়ে সীমানার বাইরে।
শট খেলার পর পেছনে তাকানোর প্রয়োজনও মনে করলেন না শামীম। শট খেলার পর বুঝে গেলেন ছক্কা। এরপর ১৩ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলার পথে আরো একটি ছক্কা মেরেছেন স্কয়ার লেগ দিয়ে। ফাইন লেগ দিয়েও আছে তার। মাত্র ২০ মিনিট ক্রিজে ছিলেন।
এতোটুকু সময়েই শামীম নিজের করে নিয়েছেন দিনটা। সঙ্গে প্রতিপক্ষ শিবিরেও ধরিয়েছেন কাঁপন। তাইতো শামীমের নো লুক শট ও ‘৩৬০ ডিগ্রি’ শটের প্রশংসা করলেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যানে ক্লেভার।
“শেষের দিকে ওই দুই ব্যাটসম্যান (হৃদয় ও শামীম) দারুণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। ৩৬০ ডিগ্রিতে খেলতে পেরেছে, বলের গতি ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে। আর যখন দরকার হয়েছে তখন ছক্কাও মেরেছে। আমার মতে, সেখানে বেশ মানসম্মত ব্যাটিং হয়েছে।’’
নিউ জিল্যান্ড আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৮২ রান করে। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো না হলেও তাওহীদের ২৭ বলে ৫১, শামীমের ১৩ বলে ৩১ ও পারভেজের ১৪ বলে ২৮ রানে বাংলাদেশ ২ ওভার আগে ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে। তিন ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে।
ক্লেভার মনে করেন বোলিংয়ে আরো ভালো করা উচিৎ ছিল তাদের, ‘‘বোলিংয়ের দিক থেকে আমাদের এখানে অনেক কিছু শেখার আছে। যা পরের ম্যাচে কাজে লাগাতে চাই। আমরা বিষয়গুলো নিয়ে ভাবব, বিশ্লেষণ করব এবং আশা করি পরের ম্যাচে আরও ভালো বোলিং করতে পারব।”
ঢাকা/ইয়াসিন