পাকিস্তান সিরিজে ক্রিকেটারদের বোনাসের টাকায় জিম ও সুইমিংপুল
ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা সিরিজে ভালো করলে ক্রিকেট বোর্ড থেকে চুক্তির বাইরে বাড়তি বোনাস পান। ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারিয়ে ২ কোটি টাকা করে বোনাস পেয়েছিল দল। ২০২৪ সালে পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করায় মিলেছে ২ কোটি টাকা বোনাস।
এবার পাকিস্তানকে নিজেদের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। এবারও ক্রিকেট বোর্ড বোনাস দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ক্রিকেটারদের পক্ষ থেকে বোর্ডকে দেওয়া হয়েছে ভিন্ন প্রস্তাব। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত বোনাস নেওয়ার বদলে যদি জাতীয় দলের জিম ও সুইমিং পুলের আধুনিক সুবিধাগুলো উন্নত করা হয়, সেটাকেই তারা নিজেদের বোনাস হিসেবে বিবেচনা করবে।
বিসিবি সভাপতি তামিম বলেছেন, ‘‘বোর্ড বোনাস দিতে প্রস্তুত ছিল, কারণ খেলোয়াড়দের তা প্রাপ্য। তবে ক্রিকেটারদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। কারণ তারা শুধু নিজেদের কথা ভাবেনি; ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের কথাও চিন্তা করেছে। আন্ডার-১৯, আন্ডার-২৩ এবং এইচপি দলের খেলোয়াড়রাও এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে।’’
পরিকল্পনা অনুযায়ী, বর্তমান জিমটি ভেঙে আরও বড় ও আধুনিকভাবে নির্মাণ করা হবে। বিশ্বের সেরা কোম্পানির উন্নত মানের যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় দলের মান অনুযায়ী জিম তৈরি করা হবে। পাশাপাশি সামনে থাকা খালি জায়গায় স্টিল স্ট্রাকচারের মাধ্যমে একটি আধুনিক সুইমিং পুল নির্মাণ করা হবে। সেখানে আইস বাথ, হট বাথ এবং সর্বাধুনিক রিকভারি প্রযুক্তির ব্যবস্থাও থাকবে, যাতে আলাদা করে বরফ এনে আইস বাথ করতে না হয়। মেশিনের মাধ্যমেই পানির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
তামিম আরও জানান, এসব কাজের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সুবিধাগুলো শুধু জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জন্য নয়, ইনজুরিতে থাকা ক্রিকেটারদের পুনর্বাসন ও রিকভারির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ধারাবাহিক সাফল্য প্রসঙ্গে তামিম বলেন, ‘‘এর পুরো কৃতিত্ব টিম ম্যানেজমেন্ট, কোচিং স্টাফ, সাপোর্ট স্টাফ, ক্রিকেট অপারেশন্স এবং খেলোয়াড়দের।’’
ঢাকা/ইয়াসিন
চ্যালেঞ্জিং হলেও এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে: সড়কমন্ত্রী