Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

খুলনা জেলা কারাগারের বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতে নতুন নির্দেশনা 

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৪:২০, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
খুলনা জেলা কারাগারের বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতে নতুন নির্দেশনা 

খুলনা জেলা কারাগারের বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ১০ দফায় নতুন নিয়মাবলী জারি করেছেন কারাগার কর্তৃপক্ষ।

আগামীকাল ১ মার্চ (সোমবার) থেকে নতুন এ নির্দেশনাবলী কার্যকর হবে।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারাগার কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া বিষয়টি ‘খুলনা ডিস্ট্রিক্ট জেল’ নামক জেলা কারাগারের ফেসবুক আইডিতেও আপলোড করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনাকালীন সংকটের কারণেই নতুন এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

নতুন নিয়মাবলীতে উল্লেখ করা হয়, সাধারণ সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন বন্দিদের মামলা পরিচালনা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা কল্পে ১৫ দিনে একবার সাক্ষাৎ করানো হবে। জেএমবি, সন্ত্রাসী, রাষ্ট্রবিরোধী, দুর্ধর্ষ/নৃশংস অপরাধী, শীর্ষ সন্ত্রাসী, যুদ্ধাপরাধী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের ৩০ দিনে একবার দেখা করানো হবে (সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য যেমন- মা-বাবা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ভাই-বোন এবং স্বামী-স্ত্রী, সন্তান) এই সুযোগ পাবেন। শুধুমাত্র একজন সাক্ষাৎপ্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করানো হবে। প্রত্যেক বন্দিকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক ছাড়া কোনো সাক্ষাৎ করানো যাবে না (নো মাস্ক, নো এন্ট্রি এবং নো মাস্ক, সার্ভিস)।

আরও উল্লেখ করা হয়, আগত সকল প্রার্থীকে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সাক্ষাতের আগে প্রত্যেক বন্দিকে হাত, মুখ ধুয়ে সাক্ষাৎকার কক্ষে প্রবেশ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময় সাক্ষাতের জন্য সুযোগ থাকবে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলনা জেলা কারাগারের জেলার মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম রোববার দুপুরে রাইজিংবিডিকে জানান, করোনার সংকটকালীন প্রথম দিক থেকে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সরাসরি সাক্ষাৎ বন্ধ ছিল। সে ক্ষেত্রে ওই দিনগুলোতে স্বজনদের/সাক্ষাৎ প্রার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মনিটরিংয়ে মোবাইলে/টেলিফোনে কথা বলিয়ে দেওয়া হতো। যার সময় ছিল সর্বোচ্চ পাঁচ-আট মিনিট। কিন্তু দীর্ঘদিন সাক্ষাৎ বন্ধ থাকায় সরকারের নির্দেশে নতুন নির্দেশনাবলী জারি করা হয়েছে। যাতে সীমিত আকারে হলেও অন্তত স্বজনরা বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।

তরিকুল ইসলাম আরও জানান, নতুন এ নির্দেশনাবলী ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। তবে, নতুন নির্দেশনা কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলে/টেলিফোনেও কথা বলার সুযোগ থাকবে বলেও উল্লেখ করেন এই কারা কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলা কারাগারের বন্দিদের সংখ্যা ১ হাজার ৪শ’র কিছু বেশি ছিল। যদিও এ কারাগারের ধারণ ক্ষমতা ৬শ’র মত।

খুলনা/নূরুজ্জামান/বুলাকী

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে