ঢাকা     বুধবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||  ফাল্গুন ১৫ ১৪৩০

বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা একরামুজ্জামানকে নিজ এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৪০, ২৯ নভেম্বর ২০২৩  
বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা একরামুজ্জামানকে নিজ এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা

সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করা বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানকে এবার নাসিরনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে উপজেলা বিএনপি।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান ও সাধারণ সম্পাদক কে এম বশির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে অবাঞ্ছিতের কথা জানানো হয়।

সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান নাসিরনগর উপজেলার বাসিন্দা। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে গত সোমবার মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন তিনি। এরপর গত মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানকে ‘দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে বহিষ্কার করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি।

পড়ুন- একরামুজ্জামান ও শাহ আবু জাফরকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

উপজেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে লেখা অবাঞ্ছিতের ঘোষণাটি নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন এম হান্নান। নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত অবাঞ্ছিত ঘোষণার  বিবৃতি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানকে বহিষ্কার করেছে। বিএনপির নাসিরনগর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে এই বহিষ্কৃত নেতাকে নাসিরনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হান্নান বলেন, একরামুজ্জামানকে উপজেলার সব জায়গায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা একরামুজ্জামান

উল্লেখ্য, জামিন পাওয়ার পরপর গত সোমবার বেলা ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে হাজির হয়ে পুলিশের দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় জামিন পান একরামুজ্জামান। সোমবার বেলা তিনটার দিকে মো. বকুল মিয়া নামের একজন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে তার পক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একরামুজ্জামান এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং নবম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও মুঠোফোন না ধরায় সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মাইনুদ্দীন/এনএইচ

ঘটনাপ্রবাহ

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়