ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৬ এপ্রিল ২০২৪ ||  বৈশাখ ৩ ১৪৩১

জানালা নেই, তবুও আলোকিত থাকে যে মসজিদ

জাহাঙ্গীর লিটন, লক্ষ্মীপুর || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:৩৫, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   আপডেট: ১২:৪৯, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

জানালা নেই, তবুও প্রবেশ করে আলো। মুসল্লিরা ভেতরে বসে উপভোগ করেন রোদ-বৃষ্টি। চোখ ধাঁধানো এমন বিস্ময়কর স্থাপনা লক্ষ্মীপুরের আস-সালাম জামে মসজিদ।

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের শেখের কেল্লা এলাকায় নির্মিত অপরূপ এই স্থাপনা দেখতে ও নামাজ আদায়ে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে আস-সালাম জামে মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়। চার বছর পর ২০২১ সালের শেষের দিকে মসজিদটি মুসল্লিদের ইবাদতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

প্রায় চার হাজার বর্গফুটের দোতলা এ মসজিদে একসঙ্গে দুই হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদের নকশা তৈরি করেছে বাংলাদেশি একটি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান। তাদের সহায়তায় ছিলেন কয়েকজন বিদেশি স্থপতি।

দর্শনার্থী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর দাবি, আধুনিককালে বাংলাদেশে নির্মিত স্থাপত্যের মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা এটি।

সরেজমিনে দেখা যায়, মসজিদের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে আস-সালাম হাফেজিয়া মাদ্রাসা। তার পাশেই একটি বিদ্যালয় ও কলেজ নির্মাণাধীন পর্যায়ে রয়েছে।

মুসল্লিরা জানান, আস-সালাম জামে মসজিদে কোনো জানালা নেই। তবু দিনের আলোয় আলোকিত থাকে। ভেতরে বসেই রোদ, বৃষ্টি, কুয়াশা উপভোগ করা যায়। মসজিদের ভেতরে রয়েছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ৪টি জলাধার। যে কারণে গ্রীষ্মকালেও শীতল অনুভূত হয়।

মসজিদের ছাদ প্রচলিত ছাদের মতো নয়। দেওয়াল বাহির থেকে ইটের তৈরি মনে হলেও, এর ভেতরে রয়েছে রড, সিমেন্ট ও ইটের সংমিশ্রণে আরসিসি ঢালাই। মসজিদে মুসল্লি প্রবেশ ও বাহিরের জন্য রয়েছে দুটি দরজা।

মসজিদ নির্মাণে সব ব্যয়ভার বহন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. সালাউদ্দিন দোলন। এ বিষয়ে জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে, তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে এই স্থাপনা নির্মাণ করেছেন তিনি।

কেআই

আরো পড়ুন  



সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়