ঝিনাইদহ-৪: স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৪ সমর্থককে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে শহরের থানা রোডস্থ নির্বাচনি অফিসে হামলা হয়।
সাইফুল ইসলাম ফিরোজের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস রহমান মিঠু এ অভিযোগ করেন।
আহতরা হলেন- কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ আলী, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বিএনপি কর্মী খোকন হোসেন ও তার ছেলে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইবন হোসেন।
ইলিয়াস রহমান মিঠু জানান, এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তালিব নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত) সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর শুক্রবার সকালে ধানের শীষের কয়েকজন সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় তারা চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।
স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ইবনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ জানান, নির্বাচনের পরের দিন তার নির্বাচনি অফিসে হামলা হয়েছে। অফিসে ঢুকে হামলা চালানো হয়েছে। যারা হামলা চালিয়েছে তারা চিহ্নিত হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ। এভাবে চলতে থাকলে এই আসনে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে। তিনি অবিলম্বে ওসি প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খানের মোবাইলে কল করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
ঢাকা/শাহরিয়ার/মাসুদ