টুংটাং শব্দে মুখরিত কামারপাড়া
দিনাজপুর প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
দিনাজপুরের হিলিতে কাজে ব্যস্ত এক কামার।
ঈদুল আজহার বাকি ৯ দিন। এই ঈদকে সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলির কামাড় পাড়ায় বেড়েছে কর্মব্যস্ততা। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টুংটাং শব্দে মুখরিত হয়ে উঠছে আশপাশের এলাকা। কোরবানির পশুর মাংস কাটাকাটির জন্য কামরদের কাছ থেকে নতুন দা, ছুরি ও বটি তৈরির পাশাপাশি পুরাতন সরঞ্জাম মেরামতের কাজ করিয়ে নিচ্ছেন এলাকাবাসী। লোহা-কয়লার দাম না বাড়ায় এবার ব্যবসা ভালো হবে এমনটি প্রত্যাশা করছেন কামাররা।
হিলির চারমাথা এলাকার কামার দিপু রায় বলেন, “অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার কোরবানির ঈদে কাজের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। গত বছর ঈদের দুদিন আগেও কাজের তেমন চাপ ছিল না। এবার অনেক আগে থেকেই প্রচুর অর্ডার পাচ্ছি। মানুষ পুরাতন জিনিসপত্রও মেরামত করতে দিচ্ছেন।”
তিনি আরো বলেন, “এবার কয়লা ও লোহার দাম বাড়েনি। আগের মতোই দাম স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা প্রতি টিন কয়লা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় কিনছি। মাংস কাটার দা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বড় চাকু ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ছোট চাকু ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং বটি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছি।”
হিলি বাজারের গোডাউন মোড় এলাকার কামার শ্রী কৃষ্ণ কর্মকার বলেন, “কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন প্রচুর কাজের অর্ডার পাচ্ছি। হাতে অনেক কাজ রয়েছে। আশা করছি, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ব্যবসা ভালো হবে।”
ক্রেতারাও কোরবানির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাকু কিনতে আসা নাসির উদ্দীন নামের এক ব্যক্তি বলেন, “সামনে কোরবানির ঈদ। পশু কেনা হয়ে গেছে, তাই গরু জবাই ও চামড়া ছাড়ানোর সরঞ্জাম কিনতে এসেছি। দাম গত বছরের মতোই রয়েছে।”
রাশেদুল ইসলাম নামে অপর এক ব্যক্তি জানান, বাড়িতে থাকা চাকু-বটি মেরামত করতে এসেছি। পাশাপাশি নতুন দা-বটি ও চাকুও কিনছি। দামের তেমন পরিবর্তন হয়নি।
ঢাকা/মোসলেম/মাসুদ
হাম রোগীর জন্য আলাদা ওয়ার্ড বাধ্যতামূলক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর