ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৯ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪৩৩ || ২ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

খুবিতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কর্মকর্তা বরখাস্ত

খুবি সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৫১, ১৯ মে ২০২৬   আপডেট: ১৫:৫২, ১৯ মে ২০২৬
খুবিতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কর্মকর্তা বরখাস্ত

সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসুফ রায়হান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এক্সিকিউটিভ এমবিএ (ইএমবিএ) প্রোগ্রামের প্রায় ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসুফ রায়হানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সোমবার (১৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, ইএমবিএ প্রোগ্রামের হিসাব থেকে ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা এবং দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ইউসুফ রায়হানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

আরো পড়ুন:

এর আগে গত ১২ মে ইউসুফ রায়হানের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিন প্রধান ও কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করে ইএমবিএ ফান্ড থেকে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ প্রকাশ পায়। অভিযোগ ওঠে, শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফি, পরীক্ষার ফিসহ বিভিন্ন খাতের অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে তা উত্তোলন করা হয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে, যখন ইএমবিএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে অর্থ জমা না হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তারা বিষয়টি ডিসিপ্লিন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়মের তথ্য সামনে আসে।

তৎকালীন সময়ে ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক মো. নূর আলম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছিলেন, তার এবং কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি তদন্তে দুটি কমিটি গঠনের কথাও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কমিটি সম্প্রতি তাদের প্রতিবেদন প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পরই অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযোগ ওঠার পর থেকেই ইউসুফ রায়হান কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও দীর্ঘ সময় বন্ধ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা/হাসিবুল/জান্নাত

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়