ঢাকা     শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ১১ ১৪২৭ ||  ০৮ সফর ১৪৪২

বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আলজেরিয়ার সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:২০, ১৩ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আলজেরিয়ার সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আলজেরিয়া বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৭৩ সালে উভয়দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। বাংলাদেশও আলজেরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে আগ্রহী।  উভয়দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এফটিএ অথবা পিটিএ স্বাক্ষর করা হবে।  একইসঙ্গে ১৯৭৩ সালে সম্পাদিত চুক্তির কোনো বিষয় প্রয়োজন হলে সংশোধন করা হবে।  দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকায় সরকারি বাসভবনের অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত রাবাহ লারবির সঙ্গে জুম প্লাটফর্ম বৈঠকে এ কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রপ্তানি বাণিজ্যে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।  বাংলাদেশ তৈরি  পোশাক রপ্তানিতে পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।  আলজেরিয়ায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, পাট ও চামড়া জাত পণ্য, তামাক এবং ফার্নিচারের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ এগুলো আলজেরিয়ায় রপ্তানি বৃদ্ধি করতে চায়।  দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী আলজেরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রদূত রাবাহ লারবি বলেন, আলজেরিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। এ মুহূর্তে উভয় দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ খুবই কম। বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশের সঙ্গে এফটিএ অথবা পিটিএ করতে প্রস্তুত আরজেরিয়া।  দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আলজেরিয়ায় বাংলাদেশের বেশ কিছু পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়ে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে চায় আলজেরিয়া।

উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে আলজেরিয়ায় রপ্তানি হয়েছে ৫.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাংলাদেশি পণ্য এবং একই সময়ে আমদানি হয়েছে ৯০.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।

শাহ আলম খান/সাইফ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়