ঢাকা     শনিবার   ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ১২ ১৪৩৩ || ৮ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

আগামী বাজেটে ভ্যাট-শুল্ক কমানোর প্রস্তাব এমসিসিআইয়ের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:২৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬  
আগামী বাজেটে ভ্যাট-শুল্ক কমানোর প্রস্তাব এমসিসিআইয়ের

কাঁচামাল আমদানির খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় শিল্প সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই আগামী বাজেটে ভ্যাট ও শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)।

একই সঙ্গে নতুন করদাতাদের ভয় দূর করতে বছরে নূন্যতম ১০০ টাকা বা ১০০০ টাকা কর প্রতীকী হিসেবে নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে এমসিসিআই।

আরো পড়ুন:

শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান ছাড়াও অন্যান্য ব্যবস্থায়ি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এমসিসিআই বাজেট প্রস্তাবনায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) উদ্যোক্তাদের রক্ষায় পৃথক কর কাঠামো, টার্নওভার কর হ্রাস এবং কাঁচামালের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক কমানোর কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে কাঁচামাল আমদানিতে ডলার সংকট এবং উচ্চ সুদহার, বিশেষ করে ১২ থকে ১৪ শতাংশ সুদহারের কারণে কাঁচামাল আমদানির খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই সংকটের মধ্যেই দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানায় এমসিসিআই।

এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, “অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের কারণে কার্যকর করহার অনেক ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। নগদ লেনদেন সংক্রান্ত কঠোর শর্তের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান কর হ্রাসের সুফল ভোগ করতে পারে না। তাই শর্তহীনভাবে কর্পোরেট করহার কমানো এবং টার্নওভারের পরিবর্তে প্রকৃত আয়ের ভিত্তিতে কর ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে হবে।”

এছাড়া, উচ্চ আয়ের করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা না চাপিয়ে করনেট সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন তিনি।

এমসিসিআই সভাপতি বলেন, “দেশের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ওপর নির্ভরশীল। ফলে এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে করের আওতায় আনতে বছরে মাত্র ১০০ বা ১০০০ টাকার একটি প্রতীকী ন্যূনতম কর প্রবর্তন করা যেতে পারে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ‘ওয়ান-পেইজ ডিজিটাল রিটার্ন’ ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।”

এমসিসিআই বাজেট প্রস্তাবনায় ৩৯টি ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক পিএসআর ব্যবস্থা সহজ করার প্রস্তাব করেছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, “কাস্টমস, ভ্যাট ও ট্যাক্সের ভেতরে সমন্বয় করার কাজ শুরু হয়েছে। আমদানিকারকদের সঙ্গে ই-রিটার্ন সমন্বয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ১৬টি ট্যাক্স ও ভ্যাট অডিট এক সঙ্গে হবে।  শুধু সাম্প্রতিক রিটার্নই নয়, কর দাতার আগের রিটার্নও রিক্স বেজইড করা হবে। ফলে কর দাতাদের ভোগান্তি কমবে।”

ঢাকা/নাজমুল/সাইফ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়