ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৭ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৪ ১৪৩৩ || ১৯ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

দেব কী সত্যি হেনস্তার শিকার হলেন?

বিনোদন ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৬:৫০, ৭ মে ২০২৬   আপডেট: ১৬:৫৩, ৭ মে ২০২৬
দেব কী সত্যি হেনস্তার শিকার হলেন?

ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এমন দৃশ্য দেখা যায় (ডানে)

একটি ভবনের বাইরে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন; তারা এতটাই উত্তেজিত যে, নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের মাঝ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন অভিনেতা দেব। তাকে ঘিরে রেখেছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। একাংশ দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে ঠেলে সরাচ্ছেন। উপস্থিত জনতা দেবকে উদ্দেশ্য করে “চোর চোর” বলে স্লোগান দিচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ক্লিপে এমন দৃশ্য দেখা যায়। 

নেট দুনিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনরাও মনে করছেন, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর বিজেপির কর্মীরা দেবের সঙ্গে এমন আচরণ করেছেন। বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিনে নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে যেমনটা ঘটেছিল। ভিডিও দেখে নেটিজেনরাও বলছেন—“ঠিক হয়েছে।” সৌরভ মন্ডল নামে একজন লেখেন, “আমি এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম।” কেউ কেউ বলছেন, “অভিনেতা-অভিনেত্রীদের রাজনীতিতে না আসা ভালো। কারণ তারা সবার প্রিয়।” 

আরো পড়ুন:

সত্যি কি দেবের সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে? এ প্রশ্নের জবাব দেব নিজেই দিয়েছেন তার সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভাইরাল ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করে তৃণমূলের এই সংসদ সদস্য লেখেন, “বাংলা কখনো বিদ্বেষের সংস্কৃতি শেখায়নি।” 

ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে দেব লেখেন, “গত কয়েকদিন ধরে আমার কিছু বিকৃত ও এডিটেড ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করব, দয়া করে এই ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর ভিডিওতে বিশ্বাস করবেন না, এগুলো শেয়ারও করবেন না। ইচ্ছাকৃত অপপ্রচার ও চরিত্রহনন কখনো বাংলার সংস্কৃতি নয়।” 

পশ্চিমবঙ্গের হবু সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে দেব লেখেন, “আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে, নতুন সরকার এই ধরনের অপপ্রচার ও বিভাজন বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। বাংলা সবসময় সৌহার্দ্য, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সম্মানের জায়গা ছিল, ভবিষ্যতেও তাই থাকবে।” 

বলে রাখা ভালো, গত ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হয়। উত্তরবঙ্গের আটটি ও দক্ষিণবঙ্গের আটটি জেলা মিলিয়ে মোট ১৬টি জেলার ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রার্থী হন ১ হাজার ৪৫২ জন। ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৬০ লাখ।     

কয়েক দিন বিরতি দিয়ে ২৯ এপ্রিল, এ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করে নির্বাচন কমিশনার। কলকাতা ও রাজ্যের ৭ জেলার ১৪২টি আসনে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গত ৪ মে, ভোট গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনার। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। এতে বিজেপি পেয়েছে ২০৬টি, আর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি। 

ঢাকা/শান্ত

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়