ঢাকা     শনিবার   ৩০ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩৩ || ১৪ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়েছিলাম: শামীম হাসান 

রেজওয়ান রোহান || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:০৬, ৩০ মে ২০২৬   আপডেট: ১৮:০৭, ৩০ মে ২০২৬
গরুর তাড়া খেয়ে আর্মিদের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়েছিলাম: শামীম হাসান 

শৈশবের ঈদ মানেই অন্যরকম এক আনন্দ, যা যান্ত্রিক জীবনের ভিড়ে অনেকটাই ম্লান। ছোটবেলার সেই যৌথ পরিবারের ঈদ, দাদাবাড়ির আড্ডা আর কোরবানির ঈদের এক রোমাঞ্চকর স্মৃতি রোমন্থন করলেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার।

কোরবানির ঈদের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে শামীম হাসান সরকার রাইজিংবিডিকে জানান, দিনশেষে সবাই এখন ‘নিউক্লিয়ার’ বা একক পরিবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এখন আর আগের মতো সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া হয় না, যার যার মতো ঢাকার বাসায়ই কোরবানির ঈদ কাটানো হয়। ফলে দেশের বাড়িতে গিয়ে পুরোনো দিনের মতো সবার সাথে মিলেমিশে ঈদ করার সেই আমেজটা এখন ভীষণ মিস করেন তিনি। 

আরো পড়ুন:

শামীম হাসান সরকার বলেন, “কোরবানির ঈদ একটা আনন্দের জিনিস ছিল, যখন আমরা ছোট ছিলাম। আমরা দাদাবাড়িতে সবাই একসঙ্গে ঈদ করতাম। একসঙ্গে নামাজ পড়া থেকে শুরু করে কোরবানি, খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা দেওয়া—সেই জিনিসগুলো এখন হারিয়ে গেছে।”

ঈদের স্মৃতির পাতা উল্টাতে গিয়ে শৈশবের রোমাঞ্চকর ও ভীতিকর অভিজ্ঞতার কথাও ভাগ করে নেন শামীম। তখন তিনি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের আদমজী স্কুলে তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েন। ঈদের দিন লাল রঙের পাঞ্জাবি পরেছিলেন। সেইদিনের ঘটনা মনে করে এই অভিনেতা বলেন, “একটা গরু জবাই করার আগেই হঠাৎ দড়ি ছিঁড়ে উঠে গিয়েছিল। লাল পাঞ্জাবি পরা থাকায় হয়তো আমাকেই টার্গেট করেছিল! আমি জীবন বাঁচাতে দৌড়ে আর্মির একটা ইউনিটের ক্যান্টিনে ঢুকে পড়েছিলাম। বেঁচে গিয়েছিলাম সেবার, তবে ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। জীবনে ওই একবারই গরুর দৌড়ানি খেয়েছি।”

তারকা হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মতো কোরবানির পশুর হাটে যাওয়ার সুযোগ চট করে মেলে না। তবে শামীম হাসান সরকার জানান, এ পর্যন্ত মোট তিনবার হাটে গিয়েছেন তিনি। তাও ভিড় এড়াতে গিয়েছেন রাতের বেলা। সেখানে সবাই নিজের পশু কেনা বা দেখভাল নিয়ে এত ব্যস্ত থাকেন যে, আলাদা করে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়নি। তবে হাটের এই কর্মযজ্ঞের মাঝেও অন্যরকম একটা আনন্দ খুঁজে পান তিনি।

হাটে গিয়ে দামাদামিতে কোনো সমস্যায় পড়তে হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হেসে ফেলেন শামীম হাসান সরকার। তিনি বলেন, “হাটে গিয়ে দেখেছি, ব্যবসায়ীরা আমাকে চেনেই না! তারা ঢাকার বাইরের দূর-দূরান্ত থেকে আসেন, তাদের তো আর নাটক দেখার সময় নেই। তাই আমাকে চিনে ফেলে গরুর দাম বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। এটা সত্যিই এক আলাদা এবং দারুণ এক্সপেরিয়েন্স।”

ঢাকা/শান্ত 

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়