ভেনেজুয়েলার মতো ইরানেও নেতা বাছাইয়ে যুক্ত থাকতে চান ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় তিনি যুক্ত থাকতে চান। একই সঙ্গে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতাবা খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরি হওয়ার খবরকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, “ওরা সময় নষ্ট করছে। খামেনির ছেলে খুবই দুর্বল। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকতে চাই, যেমনটা ভেনেজুয়েলায় হয়েছিল।”
তিনি আরো বলেন, “এমন কোনো নতুন নেতা তিনি মেনে নেবেন না, যিনি আগের নেতার নীতিই অনুসরণ করবেন, কারণ এতে কয়েক বছরের মধ্যে আবার যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।”
ট্রাম্প তার মন্তব্যে উদাহরণ হিসেবে ডেলসি রদ্রিগেজের কথা তুলে আনেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর ভেনেজুয়েলার নেতৃত্ব পরিবর্তনের সময় তিনি প্রভাব রেখেছিলেন।
তবে এর একদিন আগে হোয়াইট হাউস বলেছে, ইরানে শাসন ক্ষমতার পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য নয়; যা ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করেছে।
খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কট্টরপন্থি নেতা ইব্রাহিম রাইসি, ইরানের প্রভাবশালী লারিজানি পরিবারের সদস্য সাদিক লারিজানি, ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি এবং খামেনির ছেলে মোজতাবা খামেনি।
ট্রাম্প বলছেন, মোজতাবা খামেনিকে তিনি ইরানের শাসক হিসেবে মেনে নেবেন না। অবশ্য ইরানের সাবেক রাজা শাহের ছেলে রেজা পাহলভীকেও তার পছন্দ নয়। ট্রাম্প চান ইরানের মধ্য থেকে একজন শক্তিশালী নেতা বেছে নিতে, যিনি ইরানকে নেতৃত্ব দেবেন তাদের পরামর্শ অনুযায়ী।
ট্রাম্পের এই ইচ্ছা পূরণ হবে কি না, তা যুদ্ধের পরিণতির ওপরই নির্ভর করছে- এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। অবশ্য ট্রাম্প ধরে নিয়েছেন, সময় যতই লাগুক- এই যুদ্ধের ইরানের পরাজয় নিশ্চিত। আর ইরান এখনো নতি স্বীকার করার কোনো ইঙ্গিতও দেয়নি।
ঢাকা/রাসেল