ঢাকা     রোববার   ৩১ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪৩৩ || ১৫ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

মাহি বি চৌধুরী ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:১৬, ১২ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৪:২৫, ১২ অক্টোবর ২০২০
মাহি বি চৌধুরী ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক

বিকল্প ধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মাহি বি চৌধুরী এবং তার স্ত্রী আশফা হক লোপার সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে গত ৮ অক্টোবর সম্পদের হিসাব চেয়ে পৃথক নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে সংস্থাটির একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে।

আরো পড়ুন:

সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলের গুলশানের বারিধারার (রোড নং ১২, বাড়ি ১৯) ঠিকানায় নোটিশটি পাঠানো হয়।
নোটিশে বলা হয়েছে, ‘দুদক আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৬ এর উপধারা (১) অর্পিত ক্ষমতাবলে তাদের নিজের এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী এই আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে দুদক আইনের ২৬ (২) উপধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

যদিও এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে মাহি বি চৌধুরী দাবি করেন, ‘জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সুযোগ নেই, মানিলন্ডারিংয়েরও সুযোগ নেই।  বাংলাদেশের বাইরে যদি কোনো আয়-ব্যয় থাকে তা বৈধ আয় থেকেই হয়েছে’।

যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয় বহিভূর্ত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মাহী বি চৌধুরী আরও বলেন, ‘একটি অভিযোগ এসেছে আমার নামে, সেই অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত করছে দুদক। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য আমার বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন ছিল। দুদক আমাকে তলব করেছে বলেই আমি অভিযুক্ত বা দোষী তা না। অনেক সময় আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হয় রাজনীতির কারণে। ধৈর্য ধারণ করলে সত্য উদঘাটিত হবে, তা আমি বিশ্বাস করি’।

একই অভিযোগে তলব করা হলেও হাজির হননি মাহি বি চৌধুরীর স্ত্রী আশফা হক।  

মাহি বি চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ পাচারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহিভূর্ত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। যে বিষয়ে ২০১৯ সালের জুন মাসে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

ঢাকা/এম এ রহমান/জেডআর

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়