ঢাকা     শনিবার   ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২৪ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

তিন দলে বিভক্ত হয়ে গাড়ি ছিনতাইয়ের সংঘবদ্ধ চক্র

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:১৭, ২৮ আগস্ট ২০২১   আপডেট: ১৫:১৮, ২৮ আগস্ট ২০২১
তিন দলে বিভক্ত হয়ে গাড়ি ছিনতাইয়ের সংঘবদ্ধ চক্র

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সংঘবদ্ধ গাড়ি ছিনতাই চক্রের মূল সমন্বয়কসহ ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত ৩টি পিকআপ ও ১টি সিএনজি উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে কারওয়ানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, শুক্রবার (২৭ আগস্ট) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত র‌্যাব-৪ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়ি ছিনতাই চক্রের মূল সমন্বয়ক মো. আজিম উদ্দিন, মো. রফিক উল্লাহ, মো. সেলিম, মো. কামরুল হাসান ও ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি পিকআপ, ১টি সিএনজি, পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়।

আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘবদ্ধ হয়ে গাড়ি ছিনতাই ও চুরি করে আসছে। এই ছিনতাইকারী চক্রের সঙ্গে ১৫-২০ জন জড়িত। আজিম উদ্দিন চক্রের মূল হোতা ও সমন্বয়ক। ৫-৬ বছর যাবত এই দলটি সক্রিয় রয়েছে। চক্রের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইতোমধ্যে শতাধিক গাড়ি ছিনতাই, চুরি করেছে। তারা সাধারণত ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটসহ নারায়ণগঞ্জ, সাভার ও গাজীপুরের আশপাশের এলাকায় পিকআপ, সিএনজি ছিনতাই ও চুরি করে থাকে।

তিনি তাদের কৌশল সম্পর্কে বলেন, তারা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করে। প্রথম দলের সদস্যরা বিভিন্ন ছদ্মবেশে গাড়ি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। মূলত গাড়ি পার্কিং, গতিবিধি, চালক ও মালিক সম্পর্কে পূর্বেই তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। ২য় দল মূল সমন্বয়কের নির্দেশনা মোতাবেক মাঠ পর্যায় থেকে গাড়ি ছিনতাই ও চুরি করে থাকে। এছাড়াও তারা ক্ষেত্র বিশেষে চালকদের প্রলুব্ধ করে ছিনতাই নাটক সাজিয়ে থাকে। এই দলে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সদস্যরা থাকে। যেমন অভিজ্ঞ চালক ও মেকানিক।  ছিনতাই বা চুরিকৃত গাড়ি নিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে পারে। এছাড়া পার্কিং অবস্থায় গাড়ির লক সহজে ভাঙতে পারে। এ দলের সদস্যরা গাড়ি ভাড়ার ছদ্মবেশে ভিকটিম চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এরপর পথিমধ্যে চেতনানাশক ওষুধ গাড়ির চালককে খাদ্য দ্রব্যে মিশিয়ে সেবন করায়। ৩য় দল ছিনতাই বা চোরাইকৃত গাড়ি গ্রহণ করার পর ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় লুকিয়ে রাখে। গাড়ির চালকের মোবাইল থেকে মূল মালিকের সাথে যোগাযোগ করে টাকা দাবি করে। ক্ষেত্র বিশেষে তারা টাকা প্রাপ্তির পর চোরাইকৃত গাড়ি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দেয়, যা মালিক সংগ্রহ করে নেয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা মালিককে প্রতারিত করে।

ঢাকা/মাকসুদ/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়