মুছাব্বির হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজ সামনে রেখে তদন্তে পুলিশ
আজিজুর রহমান মুছাব্বির। ছবি সংগৃহীত
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সময় কারা, কী কারণে মুছাব্বিরকে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।তথ্য-প্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে তেজগাঁও থানার ওসি তদন্ত আশিক ইকবাল রাইজিংবিডি ডটকমকে বলেন, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি কী কারণে হত্যাকাণ্ডটি হয়েছে-তা জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ আমরা সংগ্রহ করেছি। ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত আছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা গেছে, দুই দুর্বৃত্ত আগে থেকেই সেখানে ছিল। তারা গুলি করে পালিয়ে যায়।
নিহতের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বলেন, “আমার স্বামীকে যারা মেরেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
পুলিশের ধারণা, মুছাব্বিরকে হত্যা করাই ছিল মূল লক্ষ্য। তবে সঙ্গে থাকায় আবু সুফিয়ানকেও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে এবং পুলিশ জড়িতদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
তেজগাঁও থানার ওসি কৌশণ্যু মারমা গণমাধ্যমকে বলেন, “মুছাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান মাসুদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটিও একই মামলার এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল একই হওয়ায় নিহতের স্ত্রীর করা মামলার এজাহারপত্রে গুলিবিদ্ধ মাসুদের ঘটনা উল্লেখ আছে।”
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে তেজগাঁও তেজতুরি বাজারে স্টার কাবাবের পেছনের গলিতে আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে তার সঙ্গে থাকা কারওয়ান বাজার ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ানও গুলিবিদ্ধ হন।মুছাব্বিরকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা/এমআর/এসবি