Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

বধূবরণে ইন্টেরিয়র

মনিরুল হক ফিরোজ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৩৮, ৯ জানুয়ারি ২০১৬   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
বধূবরণে ইন্টেরিয়র

একটা সময় ছিল, বাড়িতে বিয়ের আয়োজনে প্রথমেই ঘরবাড়ি ঠিক করা দেখেই প্রতিবেশীরা বুঝতেন সামনে আসছে শুভদিন।

বাড়ির সামনে এবং উঠোন থেকে শুরু করে সবজায়গায় মেরামত এবং রঙ করা ছিল তখনকার বিয়ে পূর্ববর্তী প্রস্তুতি। আর এখন তো ফ্লাট বাসায় তোড়জোড় চলেনা তেমন। তারপরও বিযের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ঘরবাড়িতে একটা সুন্দর সাজানো -গোছনো ভাব এনে বিয়েতে ইন্টেরিয়র এ আনতে পারেন পরিবর্তন।

ঘরের বিভিন্ন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আলোর সমাহার ঘটিয়ে নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলতে পারেন সহজে। বধূবরণে একরাশ স্নিগ্ধতা যাক ছড়িয়ে।

বসার ঘর
এই ঘরটিই নজরে পড়ে সবার আগে। অতিথি-আপ্যায়নে বসার ঘরটি পরিপাটি করতে হবে সবার আগে। বসার ঘরের আলোকসজ্জা অবশ্যই হতে হবে আধুনিক ও সুন্দর। স্ট্যান্ডিং-লাইট হলে সোফার ডান বা বাম পাশে রাখুন। ঝোলানো সুন্দর বাতি হলে তা মাঝে ঝুলিয়ে তার দু বা চারপাশে সোফা রাখুন। যদি কোনাকুনি করে বাতি রাখেন তবে বসার ঘরটিকে দেখতে বড় দেখাবে। টিভি দেখার সময় অবশ্যই আলো কমিয়ে নিতে হবে। অতি উজ্জ্বল আলোতে টিভি দেখলে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শোবার ঘর
নতুন দম্পতি নিজেদের প্রথম পরিচয়ের ঘর এটি। তাই ঘরবাড়ি ইন্টেরিয়রে প্রথমেই মনোযোগ দিতে হবে শোবার ঘরের দিকে। এই রুমের সাজ ও আলোকসজ্জা হবে আরামদায়ক, রোমান্টিক ও আধুনিক। বেডরুমের আকৃতি ও আসবাবপত্র বুঝে তা সঠিক জায়গায় স্থাপন করতে হবে। আসবাবপত্রে যাতে আলো বাধাগ্রস্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। বেডরুমে উঁচু লাইট ব্যবহার না-করাই ভালো। নতুন দম্পতির বিছানায় ব্যবহার করতে পারেন সুন্দর উজ্জ্বল রঙা চাদর। পাশেই থাকুক ছোট্ট মোহনীয় ল্যাম্পশেড।

খাবার ঘর
এই জায়গাটিতে পরিবারের সব সদস্যরা একত্রিত হন। খাবার গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সবাই মিলে গল্প-গুজবও চলে এখানে। বাড়িতে আসা নতুন অতিথির জন্য এই ঘরটি সুন্দর করে গুছিয়ে নিতে পারেন ইচ্ছে করলেই। পাশেই রাখতে পারেন অ্যাকুরিয়ামের ব্যবস্থা। খাবার ঘরের সিলিংয়ে উজ্জ্বল আলো ব্যবহার করুন। এতে ঘরটি বড় ও খোলামেলা লাগবে। খাবার ঘরটি যদি ডিজাইন করতে চান তাহলে লাইটের রঙে সামঞ্জস্য রাখতে পারেন।

বাথরুম
কথায় বলে, মানুষের রুচি বোঝা যায় বাথরুম আর রান্নাঘর করে। তাহলে আপনি কেন রুচিশীল হবেন না? মনে রাখবেন সবার আগে বাথরুম হতে হবে পরিচ্ছন্ন। টাইলসের রঙ হতে হবে হালকা। যেমন হালকা সবুজ বা হলুদ টাইলস হলে আপনার বাথরুমটি যত ছোটই হোক বা আর খোলামেলা লাগবে। বাথরুমে বেসিনের কাচে ব্যবহার করতে পারে ছোট ছোট গাছের টব। এতে করে রুচির পরিচয়-ই মিলবে।

আরো যা মনে রাখতে পারেন
• বাড়ির ড্রইংরুমটি সাধারণত ঘরের প্রধান দরজার খুব কাছাকাছি হয়ে থাকে। চেষ্টা করুন এই রুমের জানালাগুলোকে একটু গোছানোভাবে তৈরি করতে। যদি বাড়ির প্রধান দরজা আলাদা করিডোরে হয় তাহলে ড্রইংরুমটি দরজাবিহীন শুধু দেয়াল দিয়ে আলাদা করতে পারেন। এতে আলো-বাতাস বেশি আসবে।

• এখন অনেকেই বাড়িতে কাচের ব্লক ব্যবহার করেন। এতে দিনের আলোকে আপনি একটা ডাইমেনশন দিতে পারবেন। এ ধরনের ব্লক বসাতে খরচ খুব বেশি হয় না। তবে চাইলে আপনি সিলিংয়ের দিকে ব্লক বসাতে পারেন।

• ড্রইংরুমের এক-পাশের দেয়ালটুকু পুরোটা কাচ দিয়ে তৈরি করতে পারেন। ছাদের সঙ্গে খানিকটা কাত করে এই কাচের দেয়ালটি দাঁড় করিয়ে দিলে কিন্তু মন্দ হবে না।

• দেয়ালগুলো আলোকময় করতে দেয়াল ঝুলিয়ে কিছু বাতি সেট করতে পারেন। আর রুমের যেখানে বাতি আছে সেই জায়গাগুলোতেই কেবলমাত্র ছবি ঝোলান। সেক্ষেত্রে বাতি বসানোর আগেই দেখে নিন কোথায় কোথায় ছবি ঝোলাবেন।

• একটি বড় কিংবা অনেকগুলো ছোট ছোট রট-আয়রনের মোমবাতির স্ট্যান্ড রাখুন। এগুলো ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি লোডশেডিংয়েও কাজে দেবে। তবে বাতিগুলো যেন অবশ্যই দেয়াল থেকে দূরে থাকে। নইলে দেয়ালে কালি পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

• কাপড় আর বাঁশের কঞ্চি দিয়ে চমৎকার ল্যাম্প-স্ট্যান্ড বানানো যায়। এ ধরনের ল্যাম্প-স্ট্যান্ড একদিকে যেমন আপনার ঘরের শোভা বাড়াবে তেমনি নান্দনিকতাও ফুটিয়ে তুলবে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৯ জানুয়ারি ২০১৬/ফিরোজ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে