ভোটে বিএনসিসি ক্যাডেট মোতায়েন, যাচাই হবে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা
|| রাইজিংবিডি.কম
ফাইল ফটো।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনের গণভোটে নির্বাচনি কাজে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর ক্যাডেট মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
অবশ্য ক্যাডেট মোতায়েনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাচাইসহ সাতটি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে ইসি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা চিঠিতে এসব নির্দেশনার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসির ক্যাডেটরা ভোটকেন্দ্রে আসা ভোটারদের সারিবদ্ধ রাখতে, শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা করতে, বয়স্ক, অসুস্থ ও গর্ভবতী ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগে সহায়তা করতে এবং ভোটকক্ষ-সংক্রান্ত তথ্য প্রদানে দায়িত্ব পালন করবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নির্দেশে অন্যান্য নির্বাচনি কাজেও তারা সহায়তা করবেন।
ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনি দায়িত্ব দেওয়ার আগে ক্যাডেটদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা যাচাই করতে হবে। মোতায়েনের ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন এলাকা, জেলা ও উপজেলা সদরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে মোতায়েনের ক্ষেত্রে নিজ উপজেলা পরিহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যেক রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ১০ জন করে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ন্যূনতম দুজন বিএনসিসি ক্যাডেট মোতায়েন করতে বলা হয়েছে। স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে এই সংখ্যা পরিবর্তন করা যাবে।
চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, মোতায়েনকৃত ক্যাডেটরা কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে তারা ভোটারদের ভোটদানে প্রভাবিত করতে পারবেন না।
ক্যাডেটদের নিয়োগের আগে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। রেজিমেন্ট কমান্ডারদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনি দায়িত্ব পালন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ব্যয় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বাজেট থেকে সংস্থান করা হবে বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে।
ঢাকা/এসআই/রাসেল