ঢাকা     শুক্রবার   ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ||  পৌষ ১৯ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় নিয়ে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিল এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:২০, ২ জানুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৭:২২, ২ জানুয়ারি ২০২৬
নাহিদ ইসলামের বার্ষিক আয় নিয়ে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিল এনসিপি

নাহিদ ইসলাম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে এনসিপি। তার হলফনামার ব্যাখ্যা দিয়েছে দলটি।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তামীম আহমেদ এক বার্তায় নাহিদ ইসলামের হলফনামার বিভ্রান্তির নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

আরো পড়ুন:

বার্তায় বলা হয়, “এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি হলফনামা সংক্রান্ত কিছু তথ্য বিভ্রান্তি স্যোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। হলফনামায় দেখানো নাহিদ ইসলামের ৩২ লাখ টাকার মোট সম্পত্তি নিয়েও কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। নাহিদ ইসলামের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন বেতন-ভাতা থেকে মোট আয় ছিল ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯ টাকা। সাত মাস উপদেষ্টা পদে থেকে গড়ে মাসিক ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা হিসেবে তিনি এই অর্থ আয় করেন। উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করার পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে মাসিক এক লাখ টাকা সম্মানিতে কাজ শুরু করেন।”

বার্তায় বলা হয়, “নাহিদ ইসলাম সে হিসেবে গত অর্থ বছরে উপদেষ্টা পদে থেকে এবং পরামর্শক পেশার আয় থেকে মোট ১৬ লাখ টাকা আয় করেন এবং ২০২৪-২৫ আয়বর্ষে তার আয়ের ওপর সর্বমোট ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়কর পরিশোধ করেন। এসব তথ্য তার আয়কর রিটার্নে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে হলফনাফায় নাহিদ ইসলামের বাৎসরিক আয়ের পরিমাণ ১৬ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়।”

বার্তায় আরো উল্লেখ করা হয়, “হলফনামায় নাহিদ ইসলামের বর্তমান সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখ করা ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকা। যা উনার উপদেষ্টা এবং পরামর্শক পদে থেকে আয়, হাতে থাকা নগদ অর্থ, ইতিপূর্বে করা সেভিংস, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিয়েতে আত্মীয় স্বজন থেকে প্রাপ্ত আর্থিক এবং স্বর্ণলংকারের উপহারের বর্তমান বাজার মূল্যের সমষ্টি।”

“আয়কর রিটার্ন কিংবা নির্বাচনি হলফনামার কোথাও নাহিদ ইসলামের পেশা শিক্ষকতা দেখানো হয়নি এবং এটা স্পষ্টতই একটি অপতথ্য। নির্বাচনী হলফনামার ৪ নম্বর কলামে স্পষ্টত উনার বর্তমান পেশা হিসেবে পরামর্শক এবং পূর্বতন পেশা হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পদ উল্লেখ করা আছে। এছাড়া তিনি গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করার সময় তার সোনালী ব্যাংকের একটিমাত্র অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা জমা ছিলো বলে পাবলিক পোস্টে জানিয়েছিলেন। 

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী সে একই অ্যাকাউন্টে তার বর্তমান জমার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা। সোনালী ব্যাংকের এই একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট এবং নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য ২৮ ডিসেম্বরে সিটি ব্যাংকে খোলা অ্যাকাউন্টটি ছাড়া বর্তমানে নাহিদ ইসলামের আর কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই।” 

ঢাকা/রায়হান/সাইফ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়