ঢাকা     শুক্রবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২২ ||  অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৯ ||  ০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪১৪

স্তনের সুরক্ষা মিলবে ৬ কাজে

মুজাহিদ বিল্লাহ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৩১, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২  
স্তনের সুরক্ষা মিলবে ৬ কাজে

আকর্ষণীয় না কি সুরক্ষিত স্তন? এই প্রশ্নের উত্তরে অধিকাংশই সুরক্ষার কথা বলবেন। এ জন্য নানা ধরনের উপায়ও অবলম্বন করেন অনেকে। কিন্তু এ কথাও ঠিক, স্তন আকর্ষণীয় করতে অনেকে না-জেনে বিপদ ডেকে আনেন। অনেক দিন থেকেই স্তন ক্যানসার এক আতঙ্কের নাম। তাই স্তনের যত্নে দিতে হবে বাড়তি গুরুত্ব। নিয়মিত যত্ন না নিলে দেহের অন্যান্য অঙ্গের মতো এখানেও দেখা দিতে পারে বিভিন্ন সমস্যা। 

অনেক নারী ধূমপান এবং মদ্যপান করেন। এটি স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন ধূমপান ও মদ্যপান ক্যানসারের ঝুঁকি ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারে। মদ্যপানের পরিবর্তে আঙুরের রস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আঙুরের খোসায় রয়েছে রেসভ্যারাট্রল যা এস্ট্রোজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি স্তন ক্যানসারেরও ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে। 

কম ফ্যাট জাতীয় খাবারও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ জন্য  খাদ্যতালিকায় শাক সবজি, বাধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি এ ধরনের সবজি রাখা উচিত। এ জাতীয় সবজির মধ্যে রয়েছে সালফেরেফেইন যা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

প্রতি ৩ বছরে অন্তত ১ বার স্তন পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। ৪০ বছরের অধিক নারীদের ক্ষেত্রে প্রতি ১ বছরে একবার মেমোগ্রাফ করা প্রয়োজন। যাদের পরিবারে এ ধরনের রোগ আছে তাদের সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে মোমোগ্রাফের পাশাপাশি এমআরই ও সেনোগ্রাম করা উচিত। 

ওজন বাড়ার সঙ্গে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। নিউ ইয়র্ক সিটি সেন্টার ফর ক্যানসার অ্যান্ড প্রিভেনশন এমডি হ্যারল্ড ফ্রিম্যান এবং প্রেসিডেন্ট ও ফাউন্ডার রালোফ লউরেন বলেন, স্তন ক্যানসারে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে চাইলে অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাই উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী ওজন সঠিক রাখার চেষ্টা করুন।

ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর সুগঠিত রাখা উচিত। কারণ ফিট থাকলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সহজে রোগাক্রান্ত হয় না। এ ছাড়াও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে এস্ট্রোজেন এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

হ্যারল্ড ফ্রিম্যানের মতে, প্রায় ১৫ শতাংশ নারীর স্তন ক্যানসারের মূলে থাকে পরিবারে ক্যানসারে আক্রান্তের ঘটনা অর্থাৎ এটি অনেকাংশে বংশগত সমস্যা। পরিবারে কারো স্তন ক্যানসার হলে এ রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে আরও বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন। তাই বংশে আর কারো এ রোগ হয়েছে কি না জেনে সতর্ক হতে হবে। 

/তারা/ 

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়