Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

‘কখনও ফ্রি কিক অনুশীলন করেন না মেসি’

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:৫৩, ৩ মার্চ ২০২১   আপডেট: ২০:৫৪, ৩ মার্চ ২০২১
‘কখনও ফ্রি কিক অনুশীলন করেন না মেসি’

তিন বছর বার্সেলোনায় কাটিয়েছেন নেলসন সেমেদো। লিওনেল মেসিকে পেয়েছেন সতীর্থ হিসেবে। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছেন তিনিও। তবে ছয়বারের বিশ্বসেরা ফুটবলারের একটি সহজাত ক্ষমতায় অভিভূত পর্তুগিজ রাইট ব্যাক। মাঠে যে ফ্রি কিক দিয়ে প্রতিপক্ষের বুকে কাঁপন ধরান, সেটা কখনও অনুশীলন করতে দেখেননি সেমেদো।

১৬ বছরের বার্সা ক্যারিয়ারে মেসি ফ্রি কিক থেকে গোল করেছেন ৪৯টি, আর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে ৬টি। তাতে ডেড বল শুটিংয়ে সর্বকালের গোলদাতার তালিকায় ১১তম স্থানে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ৫৫টি ফ্রি কিক গোলে মেসি শীর্ষস্থানে থাকা সাবেক লিওঁ মিডফিল্ডার জুনিনহোর (৭৭) চেয়ে অনেক পেছনে। তবে তিনি যখন বক্সের বাইরে সেট পিচ থেকে কিক নেন, তখন প্রতিপক্ষ থাকে তটস্থ। দুরুদুরু বুক কাঁপে গোলকিপারেরও।

মেসি এত নিখুঁতভাবে ফ্রি কিক নেন! অথচ এটি নিয়ে অনুশীলনে কোনও সময়ই দেন না। সাবেক সতীর্থের সঙ্গে অনুশীলনের এই অভিজ্ঞতা সবাইকে জানালেন উলভসের রাইট ব্যাক সেমেদো। এই মৌসুমের শুরুতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবে যোগ দেওয়া ডিফেন্ডার দ্য টেলিগ্রাফকে বললেন, ‘অসাধারণ। তিনি কতটা ভালো তা বোঝানোর জন্য যথেষ্ট শব্দ সত্যিই আমার জানা নেই।’

মেসির সহজাত ক্ষমতা নিয়ে সেমেদো এরপর বললেন, ‘কী তাকে অনেক বেশি চমৎকার করে তুলেছে জানেন? আমি কখনও তাকে অনুশীলনে ফ্রি কিক নিতে দেখিনি, যতদিন আমি ছিলাম। আমি দিব্যি দিয়ে বলছি, কখনও সে এটা করেনি। আমরা সবসময় দূর থেকে শুটিং অনুশীলন করতাম কিন্তু মেসি কখনও ফ্রি কিক নিতো না। এটা ছিল তার জন্য সহজাত ক্ষমতা। অনেকে বলে যে অনুশীলন আপনাকে নিখুঁত করে তোলে, কিন্তু তার ক্ষেত্রে কোনও অনুশীলন ছাড়াই তা ছিল নিখুঁত।’

ঢাকা/ফাহিম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে