Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

রেবেকার স্বপ্ন সালমা-রুমানাদের ম্যাচ পরিচালনা করা

আব্দুল্লাহ এম রুবেল || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:৫০, ৮ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৮:২৬, ৮ মার্চ ২০২১

পুরুষের তুলনায় দেশে খেলাধুলায় নারীর অংশগ্রহণ সামান্যই। পরিবার, সমাজের নানা বাধা পেরিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সফল হতে নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় নারীকে। তেমনই এক চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন রেবেকা সুলতানা। ঢাকা প্রিমিয়ার ও প্রথম বিভাগ নারী ক্রিকেট লিগে খেলেছেন তিনি। খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ খুলনা বিভাগীয় দলেও। এবার রেবেকার নতুন চ্যালেঞ্জ- আম্পায়ার হওয়া।

সালমা-রুমানাদের সতীর্থ হওয়ার স্বপ্নপূরণ না-হলেও তাদের ম্যাচ পরিচালনা করার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়নি তার। স্বপ্ন দেখেন দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আম্পায়ারিং করবেন। খেলাটাও চালিয়ে যাবেন সমানতালে। সাতক্ষীরায় জন্ম নেওয়া রেবেকা ইতোমধ্যেই আম্পায়ারিং রিফ্রেসার্স কোর্স সম্পন্ন করেছেন। স্থানীয় দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে ছেলেদের ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন। হয়েছেন প্রশংসিত। সর্বশেষ গত শুক্রবার (৫ মার্চ) সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে সাতক্ষীরা ও খুলনার সাংবাদিকদের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারিং করেন। সেখানইে রাইজিংবিডিকে তিনি জানান, বিসিবির সহযোগিতা পেলে আম্পায়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান।

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি বাড়তি আগ্রহ রেবেকা সুলতানার। স্কুলে খেলাধুলায় বরাবরই ভালো করেছেন। ফলে মনের কোণে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন বড় হতে থাকে। স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপ হিসেবে স্থানীয় ক্রিকেট একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেন রেবেকা। যদিও তার পরিবার বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি। শর্তজুড়ে দেন লেখাপড়া চালিয়ে যেতে হবে। সেই শর্ত ভুলে যাননি রেবেকা। সাতক্ষীরা ডে নাইট কলেজে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সম্মান চতুর্থ বর্ষে পড়ছেন তিনি।

খেলোয়াড় থেকে আম্পায়ারিং আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মনে হয়েছে রেবেকার। কিন্তু পিছপা হননি। ২০১৯ সালে সাতক্ষীরা দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে আম্পায়ারিংয়ে অভিষেক হয় তার। সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারাও তার  ম্যাচ পরিচালনায় সন্তুষ্ট। মাঠে তার দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সবার নজর কেড়েছে।

যদিও শুরুর গল্পটা মোটেও সহজ ছিল না। রেবেকা বলেন, ‘পথচলার প্রতিটি ধাপেই বাধা এসেছে। আমাদের সমাজের প্রেক্ষাপটে হয়তো এখনও মেয়েদের এই পথচলা সহজ হয়নি। মেয়েদের খেলাধুলায় তো শুধু মেয়েরাই থাকে, কিন্তু আমাকে এখন আম্পায়ারিং করতে হচ্ছে ছেলেদের ক্রিকেটে। বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না অনেকেই। তবুও আমি লক্ষ্যে স্থির।’

লক্ষ্যে স্থির রেবেকার এখন প্রধান লক্ষ্য সালমা-রুমানাদের ম্যাচ পরিচালনা করা। সেই স্বপ্ন প্রসঙ্গে বলেন, ‘সবার মতো আমারও স্বপ্ন ছিল দেশের জার্সিতে ক্রিকেট খেলার। সেটি হয়তো হবে না। কিন্তু আমি ওই পর্যায়ের ম্যাচ পরিচালনা করতে চাই। দেশের জন্য এখনও অনেক কিছু করতে চাই আমি।’

দেশের ক্রিকেটে আম্পায়ারিং করে অনন্য দৃষ্টান্ত হতে পারেন রেবেকা। তার আদম্য ইচ্ছার সঙ্গে বিসিবি এবং সমাজের সকল স্তরের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন হতে পারে এই স্বপ্ন।

ঢাকা/তারা

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে