ভারত-নিউ জিল্যান্ডের অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনাল
ভারত ও নিউ জিল্যান্ড রোববার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। দুই দলই তাদের প্রথম ম্যাচ হেরে গেছে পাকিস্তানের কাছে। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এই ম্যাচের ফল দুই দলের ওপরই বিশাল প্রভাব রাখবে।
প্রথম জয়ের খোঁজে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউ জিল্যান্ড। গ্রুপ-২ এ তিন ম্যাচের সবগুলো জিতে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পাকিস্তান। তারা শেষ দুটি ম্যাচ খেলবে স্কটল্যান্ড ও নামিবিয়ার বিপক্ষে। বড় অঘটন না ঘটলে সেমিফাইনালে নিশ্চিত বাবর আজমের দল। অন্যদিকে খালি হাতে নিউ জিল্যান্ড ও ভারত যথাক্রমে পয়েন্ট টেবিলের চার ও পাঁচ নম্বরে। দুটি দলই তাদের শেষ তিন ম্যাচ খেলবে সহজ প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান, নামিবিয়া ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। হিসাব করে বলা যায়, ভারত বনাম নিউ জিল্যান্ডের ম্যাচের জয়ী দল পাচ্ছে সেমিফাইনালের টিকিট। মানে আজকের ম্যাচটি অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনাল।
অভিজ্ঞ উইকেটকিপার দিনেশ কার্তিকও মনে করছেন তাই। এই ম্যাচ জিতলে সেমিফাইনালে যাওয়া সহজ হবে। তিনি বলেন, ‘এটা ভারতের জন্য কোয়ার্টার ফাইনাল। তারা জানে ম্যাচটি জিতলে তাদের কাজ সহজ হবে, অবশ্য সহজও বলা যায় না কারণ আফগানিস্তান আছে। কিন্তু বলতে পারেন, এই ম্যাচ জিতলে ভালো একটি সুযোগ আছে। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের দারুণ খেলা দেখতে আমি সত্যিই রোমাঞ্চিত।’
ম্যাচ জিততে তেঁতে আছেন বিরাট কোহলি ও কেন উইলিয়ামসনরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে নখদন্তহীন ছিল ভারত। আর ব্যাটিংয়ে দুর্বল হলেও বোলিং দিয়ে কিছুটা লড়াই করেছিল নিউ জিল্যান্ড। এই ম্যাচের আগে পরিসংখ্যান ব্ল্যাক ক্যাপদের এগিয়ে রাখছে, যা দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে ভারতকে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুইবারের দেখায় শতভাগ সাফল্য নিউ জিল্যান্ডের। আইসিসির ইভেন্টে ১৮ বছর ধরে কিউই বাধা পার হতে পারেনি ভারত। যে কোনো ফরম্যাটের বিশ্বকাপে শেষ ১০ মুখোমুখি লড়াইয়ে নিউ জিল্যান্ড জিতেছে সাত ম্যাচ। ২০০৩ সালে সবশেষ জয়ের মুখ দেখে ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০০৭ ও ২০১৬ সালে দেখা হয়েছিল, দুটোই জিতেছে নিউ জিল্যান্ড। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও হার মানে ভারত। সবশেষ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালেও বিজয়ীর হাসি হাসে নিউ জিল্যান্ড। এবার কি সেই হতাশার বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে ভারত?
ঢাকা/ফাহিম