ওয়ার্নকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কাঁদলেন পন্টিং
১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ জয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন রিকি পন্টিং ও শেন ওয়ার্ন। একসঙ্গে জাতীয় দলে অনেক উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে গেছেন। দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সতীর্থের আকস্মিক মৃত্যুতে তাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন পন্টিং। ওয়ার্নকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কাঁদতে দেখা গেল তাকে।
থাইল্যান্ডে ছুটি কাটাতে গিয়ে গত শুক্রবার ৫২ বছর বয়সেই না ফেরার দেশে চলে যান ওয়ার্ন। সন্দেহভাজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হওয়ার কথা জানা গেছে। তার এই প্রস্থান মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে পন্টিংয়ের।
১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম তার মৃত্যুর খবরে, সম্ভবত গোটা বিশ্বই। সকালে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি এই খবর। আমার মেয়েদের নেটবলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে আগের রাতে ঘুমিয়েছিলাম এবং তারপরই এলো খবরটা। এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। কয়েক ঘণ্টা লেগেছে এটি বিশ্বাস করতে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সে আমার জীবনের কতটা অংশ ছিল সেটা ভাবছিলাম। তার সঙ্গে অনেক বছরের স্মৃতিগুলো মনে পড়ছিল। অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যেক শিশু তার মতো সাহসী লেগস্পিনার হতে চায়। সে সবার সেরা না হলেও সর্বকালের সেরাদের একজন হয়ে থাকবে। তার চেয়ে ভালো ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বোলারের মুখোমুখি আমি কখনো হইনি, যে কি না স্পিন বোলিংয়ে বিপ্লব ঘটিয়েছে।’
ওয়ানডে ও টেস্ট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক হাজারের বেশি উইকেটের মালিক ওয়ার্ন। টেস্টে ৭০৮ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ বোলার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে না খেললেও এই ফরম্যাটের বিভিন্ন লিগে খেলেছেন তিনি।
ঢাকা/ফাহিম