১২ ওভারের ম্যাচে চার-ছক্কার বৃষ্টি, শ্রীলঙ্কার জয়
শ্রীলঙ্কার জন্য ম্যাচটা ছিল ডু অর ডাই। হারলেই সিরিজ হার। পাকিস্তানের জন্য অনেকটা সেরকম। হারলে সিরিজ ড্র। জিতলে সিরিজ জয়। এমন সমীকরণের ম্যাচে আবার বৃষ্টির বাগড়া। এমনিতেই সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বৃষ্টিতে পণ্ড হয়েছিল। শেষ ম্যাচেও কী একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে?
বেরসিক বৃষ্টি বাগড়া দিল ঠিকই। তাতে ম্যাচ পুরোপুরি হলো না। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নেমে আসল ১২ ওভারে। তাতেই ডাম্বুলায় যা হলো…রীতিমত চার-ছক্কার বৃষ্টি নেমেছিল ডাম্বুলার ২২ গজে। রান উৎসব হলো ১২ ওভারের ম্যাচে।
শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৬০ রান করে। জবাব দিতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংস থেমে যায় ৮ উইকেটে ১৪৮ রানে। বৃষ্টির বাধায় ১২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে দুই দল মিলে ২৭ চারের সঙ্গে মারল ১৮টি ছক্কা। শেষমেশ ১৪ রানের জয়ে সিরিজে ১-১ এ সমতা ফেরায় শ্রীলঙ্কা।
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা এদিন সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব চালান। মাত্র ৯ বলে ৩৪ রান করেন ৫ ছক্কায়। এছাড়া ৮ বলে ২০ রান করেন কামিল মিশারা। কুশল মেন্ডিসও কম যাননি। ১৬ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩০ রান করেন। শেষ দিকে জানিথ লিনিয়াগে ৮ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২২ রান করে দলের রান ১৬০-এর ঘরে নিয়ে যান।
পাকিস্তানের সেরা বোলার মোহাম্মদ ওয়াসিম। ৫৪ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নাসিম শাহ, মোহাম্মদ নওয়াজ ও ফাহিম আশরাফ।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান ভালো শুরু পায়নি। ৯ রানে শাহিবজাদা ফারহান বিদায় নেন। তিনে নেমে সালমান আগা প্রতি আক্রমণে রান তোলেন। ১২ বলে ৪৫ রান করেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। কিন্তু আরেক ওপেনার সায়েম আইয়ুব ৫ বলে ৬ রানের বেশি করতে পারেননি। ইনিংসের মধ্যভাগে মোহাম্মদ নওয়াজ ১৫ বলে ২৮ এবং খাজা নাফে ১৫ বলে ২৬ রান করলেও দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
৩৫ রানে ৪ উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে দারুণ জয় এনে দেওয়া উইনিন্দু হাসারাঙ্গা পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। পাথিরানা নেন ২ উইকেট।
পাকিস্তান প্রথম ম্যাচে জয় পেয়ে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে পণ্ড হয়। শেষ ম্যাচ জিতে ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করে লঙ্কানরা।
ঢাকা/ইয়াসিন