সংকট দ্রুত কেটে যাবে, মাঠে ফিরবে ক্রিকেট
দেশের ক্রিকেট থমকে আছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই কেবল ব্যস্ততা। অথচ ঘরোয়া ক্রিকেটের নেই কোনো হাকডাক। ক্লাবভিত্তিক প্রতিযোগিতা এই দেশের ক্রিকেটের প্রাণ। অথচ প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগের যাচ্ছেতাই অবস্থা।
সারাদেশের প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটাররা এই লিগগুলো খেলার অপেক্ষায় থাকেন। অথচ ক্লাবগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশে ক্রিকেট বোর্ডের দূরত্বের কারণে লিগ কবে শুরু হবে তা জানা নেই কারো।
লিগ শুরুর নেই কোনো উদ্যোগ। কার্যত অকার্যকর হয়ে গেছে সিসিডিএম, যারা ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের আয়োজক। কমিটির চেয়ারম্যান আদনান দীপন কোথায় আছেন জানে না তার কমিটির সদস্যরা। উৎকণ্ঠা এবং আর্থিক চিন্তায় অনেক ক্রিকেটারের অবস্থা ভালো নেই।
মোহাম্মদ মিঠুন ঘরোয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে বাড়তে থাকা উদ্বেগ কমানোর চেষ্টা করেছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, স্থগিত হয়ে থাকা ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ পুনরায় চালু করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। এই লিগটি ক্রিকেটারদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ভরসা।
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় সংগঠনটির সভাপতি মিঠুন পরিস্থিতির গুরুত্ব স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমরা সবাই জানি যে ঢাকা লিগ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে… এটি আমাদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।”
লিগ বন্ধ থাকায় ক্রিকেটারদের কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তিনি। মিঠুন বলেন, “এই লিগ বন্ধ থাকায় প্রত্যেক খেলোয়াড়ই খুব কঠিন সময় পার করছে।”
দ্রুত সমাধানের জন্য কোয়াব ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিসের (সিসিডিএম) সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ করেছে, ‘‘আপনাদের পক্ষ থেকে আমরা বিসিবি এবং সিসিডিএমের সঙ্গে কথা বলছি। যত দ্রুত সম্ভব লিগকে আবার মাঠে ফেরাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চেষ্টা-ত্রুটির ঘাটতি নেই। ”
এ সময় তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন। “কোয়াবের ওপর আস্থা রাখুন… আমরা প্রতিদিনই সেই আস্থার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করছি।” শেষে আশাবাদ ব্যক্ত করে মিঠুন বলেন, “ইনশাআল্লাহ, এই সংকট খুব দ্রুতই কেটে যাবে।”
ঢাকা/ইয়াসিন
চার বছরে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী