নয় সেভে অদম্য নয়ার
রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে জয়ের নায়ক একজন গোলরক্ষক- ম্যানুয়েল নয়ার। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ৯টি সেভ করে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দিলেন এই অভিজ্ঞ তারকা।
৪০ বছর বয়সেও নয়ার যেন সময়কে হার মানাচ্ছেন। ম্যাচজুড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে রিয়ালকে গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখেন তিনি। দুজনের বিপক্ষে একাই ৬টি সেভ করেন নয়ার।
৭৪তম মিনিটে এমবাপ্পের গোলটি ঠেকানোর খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন তিনি। শটে হাত লাগালেও বল শেষ পর্যন্ত জালে ঢুকে যায়, তবুও সেই মুহূর্ত ছাড়া পুরো ম্যাচে তিনি ছিলেন প্রায় অপ্রতিরোধ্য।
ম্যাচ শেষে বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি নয়ারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেন, প্রতিদিন অনুশীলনে নয়ারকে দেখে এখনো মুগ্ধ হন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে একই ধারাবাহিকতায় পারফর্ম করা খুব কম গোলরক্ষকের পক্ষেই সম্ভব। নয়ার সেই বিরলদের একজন।
গত ৫ মৌসুমে কোনো ম্যাচে এত বেশি সেভ করেননি নয়ার। শেষবার চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে তিনি এর চেয়েও বেশি, অর্থাৎ ১০টি সেভ করেছিলেন ২০১৭ সালে। সেটিও ছিল রিয়ালের বিপক্ষেই।
এই ম্যাচে নয়ারের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ রিয়ালের খেলোয়াড়রাও। গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন ও ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগার দুজনেই তাকে বায়ার্নের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
কোম্পানি অবশ্য এতে সন্তুষ্টই। তার মতে, এমন বড় ম্যাচে জিততে হলে বিশেষ পারফরম্যান্স প্রয়োজন হয়, আর এই ম্যাচে সেটাই করেছেন নয়ার।
সব মিলিয়ে, বার্নাব্যুর রাতে বায়ার্নের জয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল নয়ারের। এখন দ্বিতীয় লেগের আগে জার্মান দলটি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। আর সেই আত্মবিশ্বাসের কেন্দ্রে রয়েছেন তাদের এই কিংবদন্তি গোলরক্ষক।
ঢাকা/আমিনুল
২৪ ঘণ্টায় হামে সন্দেহজনক মৃত্যু ১০, আক্রান্ত ১২৪৮