ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ আষাঢ় ১৪২৬, ২৭ জুন ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ভারতে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে জল্পনা

এনএ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-২৫ ১১:৩১:৫৭ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-২৫ ২:২৫:৪১ পিএম
Walton AC 10% Discount

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক বিজয়ের পর দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

‘নতুন সরকারের কর্মসূচি’ নির্ধারণে তিনি বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দল ও জোট নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন।

এর আগে দ্বিতীয় দফায় শপথ নেওয়ার আগে প্রথা অনুযায়ী পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নতুন সরকার গঠনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে নরেন্দ্র মোদি বিদায়ী মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্টের দপ্তরে গিয়ে পদত্যাগ করেন।
 
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছেন।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, নতুন সরকারের দায়িত্ব নিতে আগামী ৩০ মে মোদি ও তাঁর নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিতে পারে। তবে সরকারিভাবে এখনো তারিখ নির্ধারিত হয়নি।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে কারা কারা থাকবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে। মোদী ও অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বলছেন, এ বার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন অমিত শাহ। অসুস্থতার কারণে বাদ পড়তে পারেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তার পরিবর্তে অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে পীযূষ গয়ালকে।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুষমা স্বরাজ এবং প্রতিরক্ষার দায়িত্বে থাকা নির্মলা সীতারামন- দুজনের কাজেই মোদি সন্তুষ্ট থাকায় এ দুই দপ্তরে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি’র ব্যাপক সাফল্যের কারণে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এ রাজ্য থেকে মন্ত্রীর সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। মন্ত্রিত্বের লড়াইয়ে যাদের নাম এসেছে তারা হলেন, বাবুল সুপ্রিয়, সুরিন্দর সিং আহলুওয়ালিয়া, রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও জয়ন্ত রায়।

এদের মধ্যে গত বার দার্জিলিংয়ের আহলুওয়ালিয়া এবং আসান সোলের বাবুল সুপ্রিয় দু’জনই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন। এবার অন্তত চার জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন।

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন তাতে দেখা গেছে, ৫৪২টি আসনের মধ্যে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি একাই ৩০৩ আসনে জয়লাভ করেছে। আর বিজেপির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) পেয়েছে মোট ৩৫০টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ২৭২ আসন।

অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছে ৫২ আসন এবং তাদের নেতৃত্বাধীন জোট ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ) পেয়েছে মোট ৮২ আসন।

২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে পেয়েছিল ২৮২ এবং কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছিল ৪৪টি আসন।

প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সাত দফায় ভোটগ্রহণ শেষ হয় ১৯ মে। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করে।

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৫ মে ২০১৯/এনএ

Walton AC
     
Walton AC
Marcel Fridge