দুই বন্ধুর এক চাওয়া
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে হয়তো একই মঞ্চে থাকতেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু করোনার ধাক্কায় দুইজন এখন দুই মেরুতে।
যুব দল থেকেই মিরাজ ও শান্তর জমাট জুটি। যুব ক্রিকেট পেরিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতেও তাদের পদচারণা। কিন্তু করোনার ধাক্কায় দুইজন এখন দেশের দুই প্রান্তে। মিরাজ খুলনায়। শান্ত রাজশাহীতে। ফিট থাকতে ঐচ্ছিক অনুশীলন করছেন দুইজন।
স্বাধ্যবিধি মেনে বিসিবি অনুশীলনের অনুমতি দেওয়ায় খুশি দুইজনই। মিরাজ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, অনেকদিন পর এমন সুযোগ পেয়েছি। খুবই ভালো লাগছে।’ শান্তর কণ্ঠে একই সুর,‘অবশ্যই খুব ভালো লাগছে মাঠে এসে অনুশীলন করতে পারলাম। কখনোই এমন হয়নি, তিন চার মাস বাসায় বসেছিলাম। এই মুহুর্তে খুব ভালো লাগছে, নিজেকে মুক্ত লাগছে।’
করোনার সময়ে গৃহবন্দী হয়ে ছিলেন দুইজনই। চার দেয়ালে চলেছে তাদের ফিটনেস ট্রেনিং। কিন্তু ব্যাট-বল থেকে তারা অনেক দূরে। তাদের আশা দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তারা ফিরবেন মাঠে। পুরোদমে চালাবেন অনুশীলন।
মিরাজ বলেন,‘আশা করি এই ক্রাইসিস দ্রুতই কেটে যাবে এবং আমরা মাঠে ফিরতে পারব। অনেক দিন ধরে ব্যাটিং-বোলিং করা হয় না পুরোদমে। আমরা ক্রিকেটার হয়ে ক্রিকেট থেকে দূরে থাকা কষ্টের।’ শান্তও জোর গলায় বলেন,‘আমরা চাই দ্রুত ক্রিকেট ফিরুক। ব্যাট-বল নিয়ে অনুশীলন করতে পারলে ভালো লাগবে। আমাদের সবার চাওয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে খেলা শুরু হোক।’
মিরাজের বিশ্বাস বর্তমানে যে ফিটনেস ট্রেনিং করছেন তা খেলা শুরু হলে কাজে আসবে এবং খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবেন স্কিল ট্রেনিংয়ে। তার ভাষ্যে, ‘ফিটনেস ঘাটতি পূরণ করার ভালো সুযোগ পেয়েছি। আমরা যখন স্কিল ট্রেনিংয়ে পুরো মনোযোগ দেব তখন এই ট্রেনিং কাজে আসবে। যেন ম্যাচের কোন ঘাটতি না থাকে।’
দুই বন্ধুর পৃথক মঞ্চ হলেও দুইজনের এক চাওয়া,‘মাঠে ফিরুক ক্রিকেট।’
ঢাকা/ইয়াসিন
রাইজিংবিডি.কম