Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

বেতনের দাবি: মধ্যপাড়া কয়লা খনিতে শ্রমিক অসন্তোষ

হিলি সংবাদদাতা || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৩২, ২৬ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
বেতনের দাবি: মধ্যপাড়া কয়লা খনিতে শ্রমিক অসন্তোষ

বকেয়া বেতনের দাবিতে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কয়লা খনিতে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শ্রমিকেরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)- কর্মকর্তাদের ১৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে খনি কর্তৃপক্ষ আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে শ্রমিকদের বকেয়াসহ চলতি মাসের বেতন পরিশোধ করার আশ্বাস দেয়। এতে শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নিয়ে কর্মকর্তাদের মুক্ত করে দেন।

খনি শ্রমিকেরা জানান, মধ্যপাড়া কঠিনশিলা খনির ঠিকারদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি’র অধীনে সহস্রাধিক বাংলাদেশি শ্রমিক খনির ভূ-গর্ভ ও উপরিভাগে কাজ করেন। এসব শ্রমিককে গত ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। তাছাড়া চলতি মার্চ মাসের বেতন বকেয়া রেখে গতকাল বুধবার রাত ৯টায় খনির উৎপাদনসহ সব বিভাগের কাজ বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় জিটিসি।

জিটিসি’র ড্রিলিং এন্ড ব্লাস্টিং অপারেটর রফিকুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমাদের শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন না দিয়ে বুধবার রাত ৯টা থেকে খনির কার্যক্রম বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।’

খনি শ্রমিক শামিম বলেন, ‘বেতন মাত্র আট থেকে ১০ হাজার টাকা। উর্দ্ধগতির বাজারে এ টাকায় শ্রমিকদের ১৫ দিনও চলে না। তারপরেও বেতন না দিয়ে খনি বন্ধ করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। কবে আবার কাজ শুরু হবে তারও কোনো ঠিক নেই। এটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।’

মধ্যপাড়া কঠিন শিলাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. কামরুজ্জামান রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘জিটিসি’র কাছে ফেব্রুয়ারি মাসের পুরো বেতন শ্রমিকদের পাওনা রয়েছে। এছাড়াও চলতি মার্চ মাসের বেতনও পাবেন তারা। ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশ করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন শুরু হয়েছে। আমরা জিটিসি’র সাথে কথা বলেছি। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে তাদের পাওনা পরিশোধ করার কথা বলে শ্রমিকদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।’

তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাবেদ পাটোয়ারীর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।


মোসলেম উদ্দিন/সনি

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে