কক্সবাজারে সারা দিন ভোটগ্রহণে যা ঘটল
কক্সবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে।
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলো উৎসবমুখর ছিল। কোথাও দীর্ঘ লাইন, কোথাও আবার ধীরগতিতে ভোটগ্রহণ। সব মিলিয়ে দিনভর ভোটযুদ্ধ শেষে চলছে গণনা।
কক্সবাজারের কয়েকটি উপজেলায় বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। রামু উপজেলায় ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগে ছৈয়দ আলম নামে এক বিএনপি নেতাকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শোভন শাহা বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর পরপরই ছৈয়দ আলম কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন। এ অভিযোগে তাকে আটক করে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে পাঠানো হয়েছে।
কুতুবদিয়ায় কেন্দ্রের পরিবেশে প্রভাব বিস্তারের দায়ে উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ বিন ইব্রাহিমকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব উল আলম।
টেকনাফের লম্বরী মলকাবানু উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোট দেওয়ার পর প্রবাসী ভাইয়ের ভোট দিতে আসেন মোহাম্মদ আনিস। তিনি টেকনাফ সদরের জাহালিয়া পাড়া এলাকার আলী জোহারের ছেলে। বিষয়টি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে নজরে নেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্যমতে, কক্সবাজারের চারটি আসনে মোট ৫৮৭টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। মোট ভোটার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ১৪২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ৬৬ হাজার ২৮ জন, নারী ভোটার ৮ লাখ ৬৩ হাজার ১০৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৬ জন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক প্রয়োগ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দিনভর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ায় এখন সবার দৃষ্টি ফলাফলের দিকে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, স্বতঃস্ফূর্ত এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষে গণনা চলছে। ছোটখাটো কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো কিছু ঘটেনি।
ঢাকা/তারেকুর/বকুল