শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে: হুইপ গউছ
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
জাতীয় সংসদের হুইপ নির্বাচিত হওয়ায় জি কে গউছের হাতে ক্রেস তুলে দেন হবিগঞ্জের জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল ও কলেজের সাবেক শিক্ষার্থীরা
জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জি কে গউছ বলেছেন, “শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিগত ফ্যাসীবাদী সরকার লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চরম ক্ষতি করেছে। আগামীতে দেশের ভালো স্কুলগুলোতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা যাতে পড়ালেখার সুযোগ পায় সরকার সেজন্য ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবীদের নির্বাচিত করার পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “স্কুলের ভালো ফলাফল নিশ্চিতে শিক্ষকদের আরো যত্নবান হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। শিক্ষকদের রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকবে, কিন্তু তাদের কাছে দলীয় লেজুরভিত্তিক রাজনীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হবিগঞ্জ শহরের যোগেন্দ্র কিশোর ও হরেন্দ্র কিশোর (জে কে এন্ড এইচ কে) হাইস্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও শিক্ষক শিক্ষার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্কুল মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জি কে গউছ বলেন, “জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুলের ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। আগামীতে ফলাফল ভালো করতে হবে। আমি জে কে স্কুলকে এমন স্থানে দেখতে চাই যেখানে জেলার সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা অধ্যয়ন করবে। স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। স্কুলের সুমান বিনষ্ট হয় এমন কিছু বরদাশত করা হবে না। শিক্ষকদের আরো যত্নবান হতে হবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রীকে এ স্কুলে যে কোনো সময় নিয়ে আসব।”
জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল এন্ড কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকের সভাপতিত্বে এবং স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মিছবাহ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব এম জি মাওলা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রধান শিক্ষক শাহ মো. আবুল হাসান, শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব প্রাক্তন কাউন্সিলর সফিকুর রহমান সিতু, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুস শহিদ মামুন, শায়েস্তানগরের পঞ্চায়েত সর্দার সহিদুর রহমান লাল, মোহনপুরের পঞ্চায়েত সর্দার মঈনুল ইসলাম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার নূরুল ইসলাম, এম জি মোহিত, শফিকুল ইসলাম।
ঢাকা/মামুন/মাসুদ
ফেরি পারাপারে ঝুঁকি কমাতে এখন থেকে কোনো বাস সরাসরি যাত্রীসহ ফেরিতে উঠতে পারবে না: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী