ঢাকা     শনিবার   ২৮ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১৫ ১৪৩২ || ৮ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৫ জনের দাফন, শোকে স্তব্ধ গ্রাম

গাইবান্ধা প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২২, ২৮ মার্চ ২০২৬   আপডেট: ১৫:৫৪, ২৮ মার্চ ২০২৬
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৫ জনের দাফন, শোকে স্তব্ধ গ্রাম

ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতদের কবর জিয়ারত করছেন স্বজন ও এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নারী ও শিশুসহ নিহত পাঁচজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের নিজপাড়া ও মধ্যপাড়া গ্রামে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়। 

এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিহতদের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে নিজপাড়া ও মধ্যপাড়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে স্তব্দ হয়ে যায় গ্রাম দুটি।

আরো পড়ুন:

আরো পড়ুন: ‘আমার এক বন্ধু কয়, তোর বেটা আর বউ নাই’

ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন জানান, আজ দুপুর ১২টার দিকে নীজপাড়া গ্রামের আজিজারের ছেলে সুলতান (৩৫) ও আব্দুর রশিদের মেয়ে রিফাকে জানাজার পর দাফন করা হয়। জোহরের নামাজ শেষে মধ্যপাড়া গ্রামের হামিদুজ্জামানের স্ত্রী নার্গিস (৩৫), তার ছেলে নিরব (১৫) এবং সম্পর্কে নার্গিসের বেয়াইন দোলাকে (৩৫) জানাজা শেষে দাফন দাফন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “নিহতরা সবাই গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। ঈদের ছুটি শেষে ধাপেরহাট বাসস্ট্যান্ড থেকে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তারা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় রাতে তাদের বহনকারী বাসটির তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েজন বাস থেকে নামেন। অসতর্কভাবে রেললাইনের ওপর বসে কথা বলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান পাঁচজন। তাদের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক।”

আরো পড়ুন: টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ৫ জনের মরদেহ বাড়িতে, দুপুরে জানাজা

নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গাইবান্ধার থেকে একটি বাসে তাদের স্বজনরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় বাসটির তেল শেষ হয়ে যায়। রেল লাইনের পাশে বাস দাঁড় করিয়ে চালক ও হেলপার তেল আনতে যান। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বাসটি একই স্থানে দাঁড়িয়ে ছিল। কয়েকজন বাস থেকে নেমে রেললাইনে বসে ছিলেন এবং ফোনে কথা বলছিলেন। এসময় একটি ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলেসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়। বাসের যাত্রীরা বেশির ভাগই পোশাক কারখানার কর্মী ছিলেন।

ঢাকা/মাসুম/মাসুদ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়