বেরোবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৪ বছর
বেরোবি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি হেয়াত মামুদ ভবনের সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।
আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানসহ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থী বিশাখা বলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ একটি স্বনামধন্য বিভাগ। ভবিষ্যতে বিভাগটি আরো এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সার্বিক উন্নতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে অনেক অগ্রগতি হলেও ল্যাব সংকটসহ কিছু ক্ষেত্রে আরো উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। ল্যাবের ঘাটতি পূরণ করা হলে শিক্ষার্থীরা বেশি উপকৃত হবে।”
আরেক শিক্ষার্থী সালমা আক্তার বলেন, “এই বিভাগ থেকে যেন ভালো মানের সাংবাদিক তৈরি হয়—এটাই প্রত্যাশা। তারা যেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংবাদিকতা করতে পারে।”
বিভাগের চেয়ারম্যান তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, “আজকের আয়োজন ছিল খুবই সীমিত পরিসরের। আমি এই বিভাগের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। যতদিন আমি এই বিভাগে থাকব, বিভাগের সুখ-দুঃখে পাশে থাকব। বিভাগে মিডিয়া ল্যাব থাকলেও তা এখনো চালু হয়নি। প্রশাসনকে বারবার জানানো হলেও তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। আশা করি শিগগিরই ল্যাবটি চালু হবে।”
বিভাগের ছাত্রসংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনের পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি বিভাগ। এখানে নানামুখী বিষয়ে শিক্ষাদান করা হয়। অতীতের সবকিছু ভুলে বিভাগটি নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাক, এটাই আমার প্রত্যাশা।”
উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ২০১১ সালের ২১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৪ বছরে বিভাগটি শিক্ষা, সহশিক্ষা কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমানে নয়জন শিক্ষক ও প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিভাগটি পরিচালিত হচ্ছে।
ঢাকা/সাজ্জাদ/জান্নাত