ঢাকা     শনিবার   ২১ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ৭ ১৪২৯ ||  ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩

‘জ্যাম হচ্ছে পুরোনো প্রেমিকার মতো’

প্রকাশিত: ১৫:১৪, ৩১ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৫:১৯, ৩১ অক্টোবর ২০২১
‘জ্যাম হচ্ছে পুরোনো প্রেমিকার মতো’

দুই পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। নাটক-চলচ্চিত্রে সমানতালে কাজ করছেন তিনি। যে কোনো চরিত্রে সাবলীল অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করেছেন বহুবার। বর্তমানে এই অভিনেতা ব্যস্ত আছেন টেলিভিশন নাটকের কাজ নিয়ে।

রোববার (৩১ অক্টোবর) ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দেয়ার জন্য গাড়ি নিয়ে বের হন চঞ্চল চৌধুরী। তিনি নিজেই ড্রাইভ করছিলেন। কিন্তু রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম ছিল। সে সময়ে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। সেই পোস্টে কিছু বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেতা।

চঞ্চল চৌধুরী শুরুতে লেখেন—‘আমরা মানতে মানতে সব কিছুতেই অভ্যস্ত হয়ে যাই। যাকে বলে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়া। হাজার বলাতেও যখন কোনো কাজ হয় না, তখন চুপ হয়ে যাওয়াটাও আমাদের অভ্যাসেরই একটা অংশ হয়ে গেছে। গতকাল থেকে শুদ্ধর বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ট্রাফিক জ্যাম এখন ঢাকা শহরের এক এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঢাকা থাকবেন অথচ জ্যামের সাথে প্রেম হবে না, তা তো হয় না। জ্যাম হচ্ছে পুরোনো প্রেমিকার মতো। আপনি চাইলেও সে আপনাকে ছাড়বে না (আমার বিষয়টা যদিও ভিন্ন)।’

আজও ছেলেকে নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলেন চঞ্চল। সেই অভিজ্ঞতা জানিয়ে এই অভিনেতা লেখেন, ‘গতকাল বাসা থেকে শুদ্ধর স্কুলে যেতে আধা ঘণ্টা সময় লেগেছিল। আজ লাগলো পুরো দুই ঘণ্টা। আজ শুদ্ধর বাংলা পরীক্ষা। গত ৫০ বছর ধরে বাংলা পরীক্ষায় আমরা বাঙালি জাতি খুব বেশি ভালো রেজাল্ট করতে পারিনি। আসুন, আমরা বাংলায় ভালো করি, বাংলাদেশকে ভালোবাসি।’

গতকালও (৩০ অক্টোবর) ছেলে শুদ্ধকে স্কুলে পৌঁছে দিয়েছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। ছেলের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমাদের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু। জ্যাম থেকে মুক্ত থাকার জন্য বেশ আগেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম। ফলাফল মন্দ নয়, দুই ঘণ্টা আগেই আমরা স্কুলে পৌঁছে গেছি। এখনো গাড়িতে বসে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরীক্ষাটা শুদ্ধর একার না, আমাদেরও। ছোট বেলার কথা মনে পড়ছে। আমরা পরীক্ষার আগে ভোরবেলায় উঠে পড়তাম। ভোরের পড়া নাকি মনে থাকে।’

ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে এই অভিনেতা আরো লিখেন, ‘মা ডেকে জাগিয়ে দিয়ে, পাশে বসে থাকতেন। ঘুমে ঝুলে পড়তাম। মা আবার জাগাতেন। পরীক্ষাগুলো আসলেই শুধু সন্তানদের হয় না, বিশেষ করে মায়েদেরই হয়। মায়েরা জাগলেই সন্তান জাগে।’

ঢাকা/রাহাত সাইফুল/শান্ত

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়