ঢাকা     মঙ্গলবার   ১২ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৯ ১৪৩৩ || ২৫ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

মেসে থাকার টাকাও তখন ছিল না: হিরণ

বিনোদন ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:২৪, ১২ মে ২০২৬   আপডেট: ১৯:২৭, ১২ মে ২০২৬
মেসে থাকার টাকাও তখন ছিল না: হিরণ

হিরণ

প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে করে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার নায়ক হিরণ চ্যাটার্জি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে সংকটে পড়েছিলেন এই তারকা। তবে সবকিছু উপেক্ষা করে বিজেপির টিকিট নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন হিরণ। 

শ্যামপুর আসন থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন হিরণ। বিজয় নিয়ে এই তারকা ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে বলেন, “এখানে শিল্প চাই। নতুন প্রজন্মের অধিকাংশই কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুতে চলে যাচ্ছেন। তারা কেন যাচ্ছেন, সেটাই বড় চ্যালেঞ্জ। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যে আশা, স্বপ্ন নিয়ে ভোট দিয়েছেন, সেগুলো পূরণ করতে হবে। রাজ্য তো ৫০ বছর পিছিয়ে গিয়েছে।” 

আরো পড়ুন:

অভিযোগ রয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার কারণে দলীয় লোকজনই সিনেমায় কাজের সুযোগ পেতেন। হিরণও বিগত সময়ে পর্দায় ছিলেন না। তবে কি এবার অভিনয়ে ফিরবেন হিরণ? এ প্রশ্নের জবাবে হিরণ বলেন, “রাজনীতি তো পার্ট টাইম কাজ নয়। এটা সর্বক্ষণের কাজ। পাঁচ বছর খড়কপুরে পড়েছিলাম। তারপর দেখাতে পেরেছি যে, কাজ করেছি। টালিগঞ্জে যে তৃণমূলীকরণ করেছিলেন মমতা ব্যানার্জি, অরূপ বিশ্বাস ও তার ভাই। ফলে অনেকে পার্ট টাইম কাজ হিসেবে দেখেছে রাজনীতিকে। আমি আমার কাজকে সেভাবে দেখি না।” 

তৃণমূলের সংসদ সদস্য দেবকে খোঁচা দিয়ে হিরণ বলেন, “ঘাটালে যখন মানুষ জলে ডুবে যাচ্ছে, তখন আমি চেষ্টা করছি কীভাবে তাদের রক্ষা করা যায়। এদিকে সেই সময়ে সেখানকার সাংসদ বিদেশ থেকে সেলফি তুলে পোস্ট করছেন।” 

অল্প বয়সে মা-বাবাকে হারান হিরণ। কলকাতায় স্নাতক পড়ার সময়ে মঠে থাকতেন। এ তথ্য স্মরণ করতেই হিরণ বলেন, “ব্রহ্মচারীর জীবন কাটিয়েছিলাম। তখন তো মেসবাড়িতে থাকার টাকা ছিল না।” 

এরপর ধাপে ধাপে জীবনকে অন্যভাবে গড়ে তুলেছেন হিরণ। অনেক বছর নামি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। এতকিছু পেরিয়েও জীবনে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। অনেকে ধরে নিয়েছিলেন ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্কের জন্য এবার ভোটের টিকিটই পাবেন না হিরণ। এ প্রসঙ্গে হিরণ বলেন, “দল দু’ভাগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এটা একেবারেই দলের অন্দরের সিদ্ধান্ত। এখানে এতকিছু ভেবে নিয়ে আলোচনা করার জায়গাই নেই।” 

শ্যামপুর আসনে বিজেপি প্রার্থী হিরণ চ্যাটার্জির প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নদেবাসী জানা, শেখ মনজুর আলম, অসিত বরণ সাউ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূলের নদেবাসী জানা। ২২ হাজার ২৬০ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন হিরণ। 

ঢাকা/শান্ত

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়