ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে যাচ্ছে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ইরানের সাথে আলোচনার জন্য পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। রবিবার (১৯ এপ্রিল) ট্রুথ স্যোশালে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেছেন, “ইরান গতকাল হরমুজ প্রণালিতে গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে- যা আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্পূর্ণ লঙ্ঘন! এর মধ্যে অনেক গুলি একটি ফরাসি জাহাজ এবং যুক্তরাজ্যের একটি মালবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। এটা ঠিক হয়নি, তাই না? আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাচ্ছেন- তারা আলোচনার জন্য আগামীকাল সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছাবেন।”
রবিবার নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ পাকিস্তানে যাবেন এবং তার জামাতা জ্যারেড কুশনারও এতে যুক্ত থাকবেন।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও দাবি করেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের কার্যকলাপ হিতে বিপরীত হচ্ছে।
তিনি বলেন, “ইরান সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে তারা প্রণালিটি বন্ধ করে দিচ্ছে, যা অদ্ভুত। কারণ আমাদের অবরোধের ফলেই এটি ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। তারা না জেনেই আমাদের সাহায্য করছে এবং এই পথ বন্ধ থাকায় তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ডলার! যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ক্ষতিই হচ্ছে না।”
এর ফলে জাহাজ চলাচলের ধরনে পরিবর্তন আসছে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, “আসলে, অনেক জাহাজ এই মুহূর্তে আইআরজিসি-র সৌজন্যে মালামাল বোঝাই করতে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, লুইজিয়ানা এবং আলাস্কার দিকে যাচ্ছে, যারা সবসময় ‘কঠোর লোক’ সাজার চেষ্টা করে!”
আলোচনা ব্যর্থ হলে হামলার হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা একটি অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব দিচ্ছি, এবং আমি আশা করি তারা তা গ্রহণ করবে। কারণ যদি তারা তা না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং প্রতিটি সেতু ধ্বংস করে দেবে। আর কোনো ভদ্রলোকের ভান নয়!”
ঢাকা/শাহেদ