অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে সোজা সীমান্ত পার: শুভেন্দু
কলকাতা ব্যুরো || রাইজিংবিডি.কম
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে আদালত নয়, সোজা সীমান্ত পার।”
বৃহস্পতিবার (২১ মে) হাওড়ার নতুন কালেকটারেটে দাঁড়িয়ে আরপিএফ কর্তাদের তিনি এই নির্দেশ দিয়েছেন। পেট্রাপোল-বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে সরাসরি ফেরত পাঠানোর কথা বলে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, সীমান্ত-নীতিতে তার সরকার কতটা কঠোর হতে চলেছে।
প্রশাসনিক বৈঠকের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত রাজ্য পুলিশের ডিজি, পুরো নগর উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক, হাওড়া শহরে জেলাশাসক, পুলিশ আধিকারিক, পৌর আধিকারিকসহ পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার । হাওড়া শহর ও স্টেশন চত্বরের জল-নিকাশি, যানজট, বেআইনি দখল-সব সমস্যায় রেল-রাজ্য যৌথভাবে নামবে। আগের শাসনে রেল-পুরসভার ঠান্ডা লড়াইয়ে ভুগেছে শহর। সেই ছবি বদলাতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৈঠকে বারবার উঠে এসেছে অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, হাওড়া স্টেশনকে ঘিরে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করতে হবে। আইনি মারপ্যাঁচে সময় নষ্ট না করে দ্রুত বিতাড়নের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রশাসনের একাংশের মতে, ভোটের আগে সীমান্ত ও পরিচয়ের রাজনীতিকে সামনে আনতে চাইছে শাসক শিবির।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হাওড়া-বালি পুরভোটকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। একদিকে সীমানা নির্ধারণ ও দ্রুত ভোটের ঘোষণা দিয়ে প্রশাসনিক তৎপরতার বার্তা, অন্যদিকে অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া অবস্থান। দুইয়ে মিলে ভোটের ময়দান গরম করার কৌশল স্পষ্ট।
শপথের পর থেকেই জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠক করে ‘কাজের সরকার’ ছাপ ফেলতে চাইছেন শুভেন্দু। হাওড়ার মতো ঘিঞ্জি শিল্পাঞ্চলে ভোট, রেলের সঙ্গে সমন্বয় আর সীমান্ত-নীতিকে এক সুতোয় গেঁথে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, রাজনীতি আর প্রশাসনকে আলাদা রাখতে রাজি নন।
ঢাকা/সুচরিতা/শাহেদ
হাম ও এর উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু