ঢাকা     বুধবার   ২০ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩৩ || ৩ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

বেইজিং বৈঠকে ২০ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন জিনপিং-পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:৩৮, ২০ মে ২০২৬   আপডেট: ১৪:৪০, ২০ মে ২০২৬
বেইজিং বৈঠকে ২০ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন জিনপিং-পুতিন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

অর্থনীতি, জ্বালানি, পরিবহন এবং বৈশ্বিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে সম্মত হয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার (২০ মে) চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এই দুই নেতা অন্তত ২০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন।

পুতিনের সফরের শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে ৪০টি চুক্তি স্বাক্ষর হবে। তবে বুধবার ২০টিতে স্বাক্ষরের কথা জানিয়েছে ক্রেমলিন। বাকিগুলো পরে পৃথকভাবে ঘোষণা করা হবে। খবর আনাদোলুর। 

আরো পড়ুন:

বৈঠক শেষে দুই নেতা রাশিয়া ও চীনের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরো জোরদার করার লক্ষ্যে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে একটি ‘বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থা’ এবং নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে যৌথ ঘোষণা দেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

বৈঠক শেষে জিনপিংয়ের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, মস্কো ও বেইজিং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এমন একটি স্থিতিশীল ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে যা বাহ্যিক চাপ এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে রুবল ও ইউয়ানের মাধ্যমে লেনদেন করায় দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাহ্যিক প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকছে। পুতিন বলেন, “আমাদের দুই দেশের সমন্বিত পদক্ষেপের কারণে বর্তমানে রাশিয়া ও চীনের প্রায় শতভাগ আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নিজস্ব মুদ্রায় (রুবল ও ইউয়ান) সম্পন্ন হচ্ছে।”

পুতিন আরো বলেন, রাশিয়া চীনে নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত এবং দুই দেশের মধ্যে বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতার অংশ হিসেবে রাশিয়ার পারমাণবিক করপোরেশন ‘রোসাটম’ চীনের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে নতুন পাওয়ার ইউনিট নির্মাণের কাজ শেষ করছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট রাশিয়া-চীন অংশীদারিত্বকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবেও বর্ণনা করেন।

দুই দেশের মধ্যকার ভিসা-মুক্ত যাতায়াত ব্যবস্থার ইতিবাচক ফলাফলের কথা উল্লেখ করে পুতিন বলেন, এর ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও পর্যটন শিল্পে ব্যাপক জোয়ার এসেছে। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “২০২৫ সালে ২০ লাখের বেশি রুশ নাগরিক চীন সফর করেছেন এবং বিপরীতে ১০ লাখেরও বেশি চীনা নাগরিক রাশিয়া ভ্রমণ করেছেন।”

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়