ঢাকা     শুক্রবার   ২২ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৮ ১৪৩৩ || ৬ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

নেতানিয়াহুর আপত্তি অগ্রাহ্য করে মার্কিন-ইরান সম্পর্কে ‘ইতিবাচক গতি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:২৯, ২২ মে ২০২৬   আপডেট: ১৫:৩৮, ২২ মে ২০২৬
নেতানিয়াহুর আপত্তি অগ্রাহ্য করে মার্কিন-ইরান সম্পর্কে ‘ইতিবাচক গতি’

প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, এই উত্তেজনার মধ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ‘কিছুটা ইতিবাচক অগ্রগতির’ যে ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

শুক্রবার (২২ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজ প্রোগ্রামের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি। 

আরো পড়ুন:

অধ্যাপক এলমাসরি জানান, সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি ‘উত্তেজনাপূর্ণ ফোনালাপ’ হয়েছিল। সেখানে নেতানিয়াহু জানান, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করতে চান, অন্যদিকে ট্রাম্প বিরোধিতা করে বলেন, তিনি ‘কূটনৈতিক পথের প্রতি অনেক বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’।

এই বিশ্লেষকের মতে, এই তথ্যটি সত্য হলে তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ও একটি অগ্রগতি নির্দেশ করে। এলমাসরি বলেন, “শান্তি আলোচনায় যেহেতু ইরানি ও মার্কিন উভয় পক্ষই অন্তত কিছুটা ইতিবাচক গতি রয়েছে বলে স্বীকার করছে, তার মানে হয়তো সুড়ঙ্গের শেষে আলোর রেখা দেখা যাচ্ছে। হয়তো দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কিছু দ্বিমতের জায়গা সংকুচিত হয়ে আসতে পারে।”

এলমাসরি আরো বলেন, ইরান ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালির ওপর একটি উল্লেখযোগ্য মাত্রার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। এই নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি প্রক্রিয়াটিকে একটি আনুষ্ঠানিক রূপ দিতে ওমানের সঙ্গে সক্রিয় আলোচনা চালাচ্ছে তেহরান। ইরান এই বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে।

তার মতে, এমন হতে পারে মাঠপর্যায়ের এই বাস্তবতার কারণে আরো অনেক দেশ অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইরানের এই অবস্থান মেনে নিতে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, পরাশক্তি চীন এই প্রণালি ব্যবহারের জন্য ইরানকে প্রশাসনিক ফি দিতে ইচ্ছুক বলে ইঙ্গিত দিয়েছে।

এলমাসরি মনে করেন, চীন যদি আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তাহলে তা মার্কিন প্রশাসনের জন্য বড় একটি ধাক্কা হবে। চীনের এই সিদ্ধান্তের দেখাদেখি অন্যান্য দেশও একই পথ অনুসরণ করতে পারে।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়