সাংবাদিকের ওপর হামলাকারী মাসুদ ও তার সহযোগী কারাগারে
রাজধানীর পেয়ারাবাগে সাংবাদিক এমদাদুল হক খানকে মারধর ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের মামলায় রমনা থানা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি খোরশেদুল আলম মাসুদ ও তার সহযোগী ইয়াসিন মোল্লাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসী এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (নিরস্ত্র) রহমত উল্লাহ রনী দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে আগামীকাল রোববার জামিন শুনানির তারিখ ধার্য করেছেন।
আদালতে হাতিরঝিল থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক এএসএম মনিরুজ্জামান মন্ডল এসব তথ্য জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে খোরশেদুল আলম মাসুদ ও ইয়াসিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হাতিরঝিল থানা পুলিশ জানিয়েছে, গত বুধবার রাতে খোরশেদুল আলম তার সহযোগীদের নিয়ে পেয়ারাবাগে এমদাদুল হকের ভাড়া বাসায় ঢুকে তাকে মারধর ও ভবনের নিচতলায় রাখা তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। এমদাদুল হক ওই রাতেই খোরশেদুল আলম ও অজ্ঞাত দুজনের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন।
মামলায় বলা হয়, এমদাদুল যে ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন, সেটি খোরশেদুলের স্ত্রীর। এমদাদুল সম্প্রতি এ ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেন। বুধবার রাত ১১টার দিকে খোরশেদুল ও অজ্ঞাত দুই–তিনজন এমদাদুলের ফ্ল্যাটে কলবেল বাজান। এমদাদুলের স্ত্রীর দরজা খুলে দিলে খোরশেদুল তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন এবং বাসার ভেতরে ঢোকেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই এমদাদুলকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন খোরশেদুল। এ সময় এমদাদুলকে বাঁচাতে গেলে তার স্ত্রীকেও মারধর করেন এবং তার গলা থেকে সোনার চেইন ছিনিয়ে নেন খোরশেদুল ও তার সহযোগীরা। পরে তারা বাড়ির গ্যারেজে থাকা এমদাদুলের মোটরসাইকল ভাঙচুর করেন।
মামুন/রফিক