রাজধানীতে কড়াকড়িভাবে পালিত হচ্ছে লকডাউন
করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে সারা দেশে লকডাউন চলছে। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, সরকার আরোপিত বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে পরিপালন করা হচ্ছে।
রাজধানীর বর্ধিত পল্লবীর দুয়ারীপাড়া মোড়, মিরপুর-২ এর শিয়ালবাড়ি মোড়, রাইনখোলা চৌরাস্তা এবং মিরপুর-১ গোলচত্বরে স্বাভাবিক দিনের চেয়ে লোকচলাচল কম দেখা গেছে। রাস্তায় কোনো গণপরিবহন চলতে দেখা যায়নি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রীরা। রিকশা চললেও ভাড়া গুনতে হচ্ছে অনেক বেশি।
রামপুরা থেকে মিরপুর-১ এ কর্মস্থলে আসা সাংবাদিক মঞ্জুরুল ইসলাম মুকুল জানান, গণপরিবহন না থাকায় রিকশায় করে ভেঙে ভেঙে অফিসে আসতে হয়েছে তাকে। এতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে পাঁচ গুণ অর্থ খরচ হয়েছে তার। রামপুরা থেকে বাসে করে মিরপুর-১ এ আসতে আগে বাসভাড়া দিতে হতো ৪০-৫০ টাকা। আজ কয়েক দফায় ২৫০ টাকা রিকশাভাড়া গুনতে হয়েছে।
সাভার থেকে বাইসাইকেলে করে মিরপুর মাজার রোডে এসেছেন আরিফ আহমেদ। তিনি জানান, রাজধানীতে গণপরিবহন না চললেও এর পাশেই আমিনবাজার থেকে সাভার পর্যন্ত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। ভাড়া নিচ্ছে ১০০ টাকা।
রাজধানীর সড়কগুলোতে অনেক মোটরসাইকেল চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে, চালক ছাড়া কোনো যাত্রী পরিবহন করতে দিচ্ছে না ট্রাফিক পুলিশ। মিরপুর-১ গোলচত্বরে দেখা গেছে, দুটি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল আটক করেছে ট্রাফিক পুলিশ। সড়কে ব্যক্তিগত ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গাড়ির চলাচল স্বাভাবিক দিনের মতোই ছিল।
দুয়ারীপাড়া থেকে মিরপুর মাজার রোড পর্যন্ত আসার পথে প্রায় সব দোকানপাট ও কাঁচাবাজার খোলা দেখতে পান এ প্রতিবেদক। তবে, মানুষের উপস্থিতি ছিল কম।
এদিকে, লকডাউনে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ পরিপালন করা হলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে অনেক মানুষের মধ্যে উদাসীনতা লক্ষ করা গেছে। অনেকের মুখেই মাস্ক ছিল না। কাঁচাবাজারগুলোতে সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না।
ঢাকা/রফিক
দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী