রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনার দাবি বিরোধী দলের
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ বর্জন করে সংসদ কক্ষ ত্যাগ করলেও বিরোধী দল ওই ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টার আলোচনার দাবি জানিয়েছে। সংসদে এই তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
রবিবার (১৫ মার্চ) সংসদ অধিবেশনের অনির্ধারিত আলোচনায় বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভাষণ দিয়েছেন। বিরোধীরা ভাষণ শুনতে চাননি এবং চলে গেছেন। তবে তারা আলোচনার জন্য ৫০ ঘণ্টা সময় বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন। যদি আলোচনা হয়, সংখ্যানুপাতে সময় বরাদ্দ দেওয়া হবে, যা আমরা এপ্রিশিয়েট করি।
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।”
তিনি বলেন, “রাষ্ট্র ইমোশন দ্বারা নয়, সংবিধান ও আইন অনুযায়ী চলে।”
বর্তমান অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা থাকায় সংবিধান সংশোধনী বিল আনা এখন কঠিন জানিয়ে তিনি বলেন, “আগামী বাজেট অধিবেশনে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কমিটি গঠন করে বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল। আমরা এর প্রতিটি শব্দের প্রতি দায়বদ্ধ। তবে অবৈধ আদেশের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা যায় কি না, তা বড় সাংবিধানিক প্রশ্ন।” তাই কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে বসে আলোচনা করে বিল উত্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা/এএএম/ইভা