ঢাকা     বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২৬ ||  চৈত্র ১৮ ১৪৩২ || ১২ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি

Risingbd Online Bangla News Portal

ই-সিগারেট ও তামাকপণ্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা পুনর্বহালের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৫৯, ১ এপ্রিল ২০২৬  
ই-সিগারেট ও তামাকপণ্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা পুনর্বহালের দাবি

তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ থেকে ই-সিগারেট এবং বিক্রয়স্থলে (পয়েন্ট অব সেল) তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধের ধারা বাদ দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে দেশের তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো।

বুধবার(১ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনগুলো বলেছে, গবেষণায় প্রমাণিত ই-সিগারেটসহ নতুন ধরনের তামাকজাত পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এগুলো তরুণদের নিকোটিন আসক্তির ‘গেটওয়ে’ হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে বিক্রয়স্থলে তামাকপণ্যের প্রদর্শন শিশু ও কিশোরদের তামাক ব্যবহারে প্রলুব্ধ করে এবং এ ধরনের ক্ষতিকর পণ্যের ব্যবহার বাড়িয়ে দেয়।

তাদের মতে, অধ্যাদেশ থেকে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা বাদ দেওয়া হলে দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে অর্জিত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে এবং তামাক কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণন আরও সহজ হবে। এটি তামাক নিয়ন্ত্রণ জোরদারে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, “জনস্বাস্থ্য ও তরুণদের নিকোটিন আসক্তি থেকে সুরক্ষার স্বার্থে ধারা দুটি অবিলম্বে পুনর্বহাল করা জরুরি। সংকীর্ণ মুনাফার চেয়ে মানুষের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

সংগঠনগুলো জানায়, বাংলাদেশে প্রতি বছর তামাক ব্যবহারের কারণে প্রায় দুই লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। তামাকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এ খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। বর্তমানে দেশের ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন।

তারা সতর্ক করে বলেন, শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর না হলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে।

বিবৃতি দেওয়া সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে, অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা), ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ডরপ, নারী মৈত্রী, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পিপিআরসি, তাবিনাজ ও প্রজ্ঞা।

ঢাকা/এমএসবি/রাসেল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়